প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আশুরা হচ্ছে একটি আরবি শব্দ; যা আশারা থেকে এসেছে। এর অর্থ হলো দশ। আরবি সনের প্রথম মাস মহররমের ১০ তারিখ পবিত্র আশুরা হিসেবে পরিচিত।
নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আশুরার রোজা রেখেছেন নিজে এবং উম্মতকে রোজা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে উল্লেখ রয়েছে, নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আশুরার দিনে রোজা রেখেছিলেন এবং অন্যদেরও রোজা রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন, তখন সাহাবিরা বিস্মিত হয়ে বলেন, ‘হে আল্লাহর রসুল, ইহুদিরা তো এই দিনটিকে মহান দিন হিসেবে সম্মান করে। এ দিনে তারা রোজা পালন করে। যদি আমরা এ দিনে রোজা রাখি, তাহলে তো আমরা তাদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করব।’ তাদের এ প্রশ্নের উত্তরে নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যেহেতু তারা এদিন একটি রোজা রাখে, আগামী বছর ১০ তারিখের সঙ্গে ৯ তারিখ মিলিয়ে দুই দিন রোজা পালন করব, ইনশাআল্লাহ। (মুসলিম: ১১৩৪)
আরেকটি বর্ণনায় নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা আশুরার দিনে রোজা রাখবে, তবে ইহুদিদের সঙ্গে মিল না হওয়ার জন্য ১০ তারিখের পূর্বের দিন অথবা পরের দিন আরও একটি রোজা রাখবে। (মুসনাদে আহমদ: ২১৫৪)
উপরোক্ত হাদিসগুলো থেকে বোঝা যাচ্ছে যে, আশুরার রোজা রাখতে হবে দুটি। মহররমের ১০ তারিখ শুক্রবার (২৬ জুন) একটি এবং এর আগে মহররমের ৯ তারিখ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) অথবা পরবর্তী দিন মহররমের ১১ তারিখ শনিবার (২৭ জুন) দ্বিতীয়টি রাখতে হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন