প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রংপুরের পীরগাছা উপজেলার কেকোয়ান নবু এলাকায় জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। জমিতে রোপণ করা ধানের চারা তুলে ফেলা এবং ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মোঃ আতাউর আকন্দ বাদী হয়ে আদালতে করা অভিযোগ সূত্রঃ -এম আর নং-৮৮১/২৬ ধারা ১৪৪/১৪৫ ফৌঃ কাঃ বিঃ বিজ্ঞ আদালতের স্মারক নং ১৬৭০/১(২) গত তারিখ ০৩/০৮/২০১৬, মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে, আদালত ১৪৪ ধারা জারি করেছেন। তফসিলভুক্ত বনর্ণাঃ জেলাঃ রংপুর, থানাঃ পীরগাছা, মৌজা-কেকোয়ান নবু জেএল নং ১২৩ সি এস খতিয়ান নং ৬৯ এসএ খতিয়ান নং ২৪, দাগ নং ৪৫২, জমি .৫৭ একর এবং আর এস খতিয়ান নং ৩৮৬, দাগ নং ৬৪৯ জমি .৪১ একর, এর মধ্যে .২২ একর সম্পত্তি বিদ্যমান। যার উত্তরে-আঃ হাই, দক্ষিণে আঃ আলী, পূর্বে গোলাম রব্বানি সরকার এবং পশ্চিমে আঃ আজিজের ভোগ দখলীয় সম্পত্তি রয়েছে। বর্তমানে জমির ডিপি খতিয়ান ও মোঃ আতাউর আকন্দ নামে রয়েছে। আতাউর আকন্দ দীর্ঘ দিন ধরে জমি ভোগদখল ও নিয়মিত চাষাবাদ করে আসছিলেন। তিনি বলেন, গত ২৭ জুলাই ২৬(সোমবার) মোঃ গোলাম রব্বানী সহ কয়েকজন এসে তার দখলে থাকা জমিতে প্রবেশ করেন। এ সময় জমিতে রোপণ করা ধানের চারা তুলে ফেলা এবং তাকেসহ পরিবারের লোকজনদের ভয়ভীতি দেখায়। আতাউর আকন্দ আরও বলেন, জমির বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় ১৪৪ ধারা জারি থাকা সত্ত্বেও আদালতের আদেশ অমান্য করে পুনরায় চারা রোপন করেছে। তার দীর্ঘদিনের ভোগদখল ও চাষাবাদে বাধা সৃষ্টি করছে। ভুক্তভোগী সুষ্ঠু তদন্ত এবং আইনগত প্রতিকার দাবি করেছেন। এদিকে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। মামলাটি আদালতে চলমান থাকায় জমির প্রকৃত মালিক আতাউর আকন্দ দীর্ঘদিন ধরে চাষাবাদ করে আসছেন, চলমান বিরোধকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে জন্য প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও উভয় পক্ষের কাগজপত্র যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন