প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গাজীপুর মহানগরীর পশ্চিম জয়দেবপুর এলাকা থেকে নিখোঁজ সৌরভ আহমেদ হত্যার রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় জড়িত হিসেবে সৌরভের দুলাভাই রবিউল এবং ভাড়াটে খুনি মো. শাহীনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মাদারীপুরের রাজৈর থেকে নিহতের কঙ্কালের কিছু অংশ ও পরনের জামা উদ্ধার করা হয়।
গাজীপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপি) সদর থানা সূত্রে জানা গেছে, সৌরভ (২০) গত ৩ আগস্ট পশ্চিম জয়দেবপুর এলাকা থেকে নিখোঁজ হন। ছেলের সন্ধান না পেয়ে তার মা কাকলী বেগম থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। তদন্তের এক পর্যায়ে সংশ্লিষ্টতা পাওয়ার পর মাদারীপুরের টেকেরহাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রথমে রবিউল ইসলামকে এবং পরে শাহীনকে রাজৈরের টেকেরহাট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ওসি আমিনুল ইসলাম জানান, প্রায় চার বছর আগে সৌরভের বোন নুপুরের সঙ্গে রবিউলের বিয়ে হয়। তারা মাদারীপুরের রাজৈর থানাধীন টেকেরহাটের তাঁতিকান্দি এলাকায় বসবাস করতেন এবং তাদের একটি দুই বছরের সন্তান রয়েছে। সম্প্রতি সৌরভের বন্ধু জাহাঙ্গীরের সঙ্গে রবিউলের স্ত্রী নুপুরের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে নুপুর রবিউলের সংসার ছেড়ে জাহাঙ্গীরের সঙ্গে চলে যান, যা রবিউলকে ক্ষুব্ধ করে তোলে। প্রতিশোধ নিতে রবিউল শাহিনের সঙ্গে আলোচনা করে সৌরভকে গাজীপুর থেকে টেকেরহাটে নিয়ে হত্যার পরিকল্পনা করেন। শাহিনকে ৮ হাজার টাকার বিনিময়ে সৌরভকে হত্যা ও লাশ গুমের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৩ আগস্ট রাত ৯টার পর রবিউল, শাহিন এবং শাহিনের দুই সহযোগী সৌরভকে রাজৈর থানার হোসেনপুর ইউনিয়নের উত্তর বিদ্যানন্দী এলাকার একটি ডোবার কাছে নিয়ে যায়। সেখানে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে মরদেহকে কয়েক টুকরো করে কচুরিপানার নিচে গুম করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা বৃহস্পতিবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন