প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে তোলা শান্তি চুক্তিটি এখন বড় ধরনের হুমকির সম্মুখীন হয়ে গেছে। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান অভিযোগ করেছেন যে, ইসরায়েল এই চুক্তিটি নষ্ট করার চেষ্টা করছে। এরদোয়ানের মতে, যুদ্ধ ও সংঘাত ছাড়া ইসরায়েল টিকে থাকতে পারবে না।
ইস্তাম্বুলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন এরদোয়ান। তিনি উল্লেখ করেন, শান্তি ফিরিয়ে আনার এই মধ্যস্থতা অত্যন্ত কঠিন ছিল। তুর্কি সরকার এ অঞ্চলে শান্তি আনার ক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের সাহায্য করতে প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া, ইসরায়েলকে সতর্ক করেন তিনি যে, সারা অঞ্চলের সংঘাতের ওপরেই ইসরায়েলের টিকতে থাকা নির্ভর করছে, বিশেষ করে সিরিয়া ও লেবাননে।
সম্প্রতি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ১৪ দফার একটি সমঝোতা স্মারক প্রকাশিত হয়েছে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে। এই সমঝোতার নাম দেওয়া হয়েছে ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক’। এতে মূলত উল্লেখিত হয়েছে, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং ইরানের ওপর থেকে কিছু আর্থিক নিষেধাজ্ঞा কমানোর বিষয়টি।
এর বিনিময়ে, ইরান তাদের পারমাণবিক বর্জ্য ধ্বংস করবে। চুক্তির পর, যদি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ‘গ্রহণযোগ্য’ আচরণ প্রদর্শন করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তাদেরকে আরও অর্থনৈতিক সুবিধা প্রদান করবে। উল্লেখ্য, চূড়ান্ত চুক্তির জন্য ৬০ দিনের সময় সংরক্ষিত থাকবে।
অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ন্যায়বিচার চাওয়ার জন্য কঠোর ভাষায় দাবি জানাবে। এটি তাদের দীর্ঘস্থায়ী লক্ষ্য হিসেবে থাকবে। এছাড়া, ইরানের সদ্য প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার জানাজায় সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বড় বড় নেতাদের উপস্থিতি প্রমাণ করে, তিনি কতটা মহান ব্যক্তি এবং তিনি ও ইরানের মানুষ কতটা গৌরবময়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন