প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সরকার র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এর নাম পরিবর্তন করে নতুনভাবে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)’ গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে ইতিমধ্যে একটি খসড়া বিলও অনুমোদন পেয়েছে।
এই খসড়াটি সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েব সাইটে সর্বসাধারণের মতামতের জন্য প্রকাশ করা হয়েছে।
খসড়ায় র্যাবের বর্তমানে বিদ্যমান কাঠামোকে আইনি ভিত্তি দিয়ে বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে বিশেষায়িত একটি ইউনিট গঠনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। সেইসাথে বাহিনীটির দায়িত্ব, অভিযানের ক্ষমতা, মামলা তদন্ত, সদস্যদের শৃঙ্খলা এবং নাগরিক অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য আলাদা কমিটি গঠনের বিধানও যুক্ত করা হয়েছে।
এই ইউনিটের জন্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত একটি প্রতীক, পতাকা এবং সুনির্দিষ্ট পোশাক থাকবে বলে খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী শুরুতে ইউনিটটির সদরদপ্তর ঢাকা শহরে স্থাপিত হবে।
স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) এর মহাপরিচালক পুলিশ বাহিনীর মধ্য থেকে নির্ধারণ করা হবে। যে ব্যক্তি এই পদে নিযুক্ত হবে, তিনি অন্যূন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শকগণের মধ্যে থেকে নির্বাচিত হবেন।
খসড়ায় এসআরবি ইউনিটের দায়িত্ব ও কার্যাবলি সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, এটি দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষা; গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ; বেআইনি অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার; মাদকদ্রব্য উদ্ধার; সাইবার অপরাধ দমন; মানবপাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনসহ সরকার কর্তৃক নির্দেশিত অন্যান্য দায়িত্ব পালন করবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, খসড়াটি চূড়ান্ত হওয়ার পর বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মতামত নেওয়ার পরে মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে। সেখানে অনুমোদনের পর আইনে পরিণত করার জন্য জাতীয় সংসদে তোলা হবে। নতুন আইন কার্যকর হলে র্যাব-সংক্রান্ত বিদ্যমান আইনি ভিত্তি বিলুপ্ত হবে। তবে নতুন বিধিমালা না হওয়া পর্যন্ত আগের কিছু বিধান কার্যকর থাকবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন