প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’-এর অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ছাত্রশিবির ও ছাত্রদল সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও উত্তেজনার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে আয়োজিত জরুরি বৈঠকে সাংবাদিকদের আমন্ত্রণ জানানো হলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের প্রবেশ করতে দেয়নি।
শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এই ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, গত ৪ আগস্ট ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনের বাইরে ইসলামী ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও উত্তেজনা দেখা দেয়। এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য, পুরান ঢাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে উপাচার্যের কার্যালয়ে এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকের আগে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তর থেকে গণমাধ্যমের সম্পাদকদের কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়। চিঠির মাধ্যমে সংবাদ ও চিত্রগ্রহণের জন্য সাংবাদিকদের উপস্থিতি কামনা করা হয়।
কিন্তু নির্ধারিত সময়ে সাংবাদিকেরা যখন কনফারেন্স রুমে উপস্থিত হয়, তখন তাদের জানানো হয়, সভাটি গণমাধ্যমের জন্য উন্মুক্ত নয়। এ সময় কক্ষে অবস্থানরত সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া হয় এবং একপর্যায়ে তাদের কক্ষ থেকে বের করে দেওয়া হয়। বাইরে অবস্থানরত অন্য সাংবাদিকদেরও ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।
কর্মরত সাংবাদিকেরা পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার এই ঘটনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। জবি প্রেস ক্লাবের দপ্তর সম্পাদক মো. রোকুনুজ্জামান গোলাম রাব্বী বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানোর পর সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া গণমাধ্যমের প্রতি চরম অসম্মান। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির স্বার্থে জবি প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।’
যোগাযোগ করা হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মোহাম্মদ আনওয়ারুস সালাম বলেন, ‘বিষয়টি মূলত ভুল-বোঝাবুঝির কারণে হয়েছে। বৈঠকটি ক্লোজড ডোর (রুদ্ধদ্বার) হওয়ায় সেখানে সাংবাদিকদের প্রবেশের সুযোগ ছিল না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন