প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকার শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার ভাদাইল এলাকায় গভীর রাতে ঘটে যাওয়া অগ্নিকাণ্ডে ১১টি পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়েছে।
রোববার (২৮ জুন) রাত ৩টায় ঢাকার আশুলিয়ার ভাদাইল এলাকায় ভয়াবহ এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে আগুনে পুড়ে গেছে ১১টি পরিবার।
গভীর রাতে লাগা একটি আকস্মিক আগুন মুহূর্তের মধ্যে ১১টি পরিবারের সবকিছু ভস্মীভূত করে দেয়। তারা চোখের পলকে হারিয়েছে মাথা গোঁজার ঠাঁই এবং আয়ের একমাত্র উৎস। উপরন্তু, এলাকার সংকীর্ণ ও সরু রাস্তার কারণে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ঘটনাস্থলে সময়মতো পৌঁছাতে পারেনি, যা ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
সূত্র জানায়, ঢাকার আশুলিয়ার ভাদাইল আক্কাস আলী মার্কেট সংলগ্ন এলাকায় যখন স্থানীয়রা গভীর ঘুমে ছিলেন, ঠিক তখন মধ্যরাতে সুরুজ মিয়ার বাড়িতে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই আগুনের শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সুরুজ মিয়ার বাড়ির ৮টি বসতঘর সম্পূর্ণরূপে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে এবং ৩টি দোকানও আগুনে পুড়ে মাটির সঙ্গে মিশে গেছে।
ক্ষতিগ্রস্তরা তাদের চোখের সামনে নিজস্ব সঞ্চয় ও বসতভিটা পুড়তে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, আগুনে বিপুল অঙ্কের আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের অভিযোগ, ঢাকা ইপিজেডের ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলের দিকে রওনা হলেও এর পিছনে মূল বাধা হয়ে দাঁড়ায় ভাদাইল এলাকার অপরিকল্পিত ও সুরু রাস্তা। ফলে অগ্নিকাণ্ডের মূল পয়েন্টে ফায়ার সার্ভিসের বড় গাড়ি পৌঁছানোর মতো ন্যূনতম কোনো জায়গা ছিল না।
ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, রাস্তা অত্যন্ত সুরু হওয়ার কারণে তারা ঘটনাস্থলে ঢুকতে পারেনি। তবে তারা দূর থেকে পাইপের মাধ্যমে দ্রুত পানি এনে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, যদি রাস্তাটি প্রশস্ত ও পরিকল্পিত হতো, তবে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি সরাসরি বাড়ির সামনে পৌঁছাতে পারতো। এতে আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারতো না এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব হতো।
আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি বলছেন ফায়ার সার্ভিস সূত্রে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন