প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সংঘাত আবারও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সোমবারও দুই দেশ একে অপরের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে এবং এরই ধারাবাহিকতায় আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাত ২টা থেকে (২০:০০ জিএমটি) ইরানের বন্দরগুলোতে পুনরায় কঠোর নৌ-অবরোধ আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরানের বন্দরে আসা-যাওয়া করা সব জাহাজকে তারা আটকে দেবে। ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রই হরমুজ প্রণালির ‘অভিভাবক’ হবে। এই জলপথ পাহারা দেওয়ার খরচ তুলতে তিনি প্রতিটি জাহাজ থেকে ২০ শতাংশ ‘ফি’ বা টোল নেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন।
ট্রাম্পের এই পদক্ষেপকে গত মাসে সই হওয়া সমঝোতা স্মারকের লঙ্ঘন বলে মনে করছে ইরান।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রতিশ্রুতি রাখতে ব্যর্থ হলে ইরানও আর কোনো চুক্তি মানবে না। এই অবস্থার মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি দিয়ে স্বাভাবিক চলাচল বন্ধ রাখার হুমকি দিয়েছে তেহরান।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই সংঘাতে গত এপ্রিল মাসে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল। তবে গত সপ্তাহে হরমুজে তিনটি জাহাজে হামলার পর সেই পরিস্থিতি আবার পাল্টে যায়। গত রোববার রাত থেকে শুরু হওয়া দুই দেশের পাল্টাপাল্টি হামলায় ইরানের অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন। এর জবাবে কুয়েত, বাহরাইন, ওমান ও জর্ডানে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দাবি করেছে ইরান।
এই সংঘাতের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আবারও অস্থির হয়ে উঠেছে। বিশ্লেষকদের মতে, আলোচনা যখন কিছুটা আশার আলো দেখাচ্ছিল, তখনই নতুন করে এই হামলা ও অবরোধের ঘোষণা পুরো অঞ্চলকে বড় ধরনের যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
সমাধান না হলে এই অস্থিরতা বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন