প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢালিউড পাড়ায় সম্প্রতি গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে যে, জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাবিলা নূর তার স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহেরের সঙ্গে আর একসঙ্গে বসবাস করছেন না। ২০১৯ সালে তারা যখন গাঁটছড়া বাঁধেন, তখন তাদের সুখী সংসার নিয়ে ভক্তদের মধ্যে উচ্ছ্বাসের অভাব ছিল না। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই সম্পর্কের মধ্যে ফাটল ধরেছে, যা এতদিন গোপন রাখা হয়েছিল।
এই গুঞ্জনের পেছনে রয়েছেন মিলি সুলতানা, যিনি একজন অ্যাক্টিভিস্ট এবং সমালোচক। তার ফেসবুক পোস্টগুলোই মূলত সাবিলার বিচ্ছেদের গুঞ্জনকে উসকে দিয়েছে। মিলি সুলতানার একটি দীর্ঘ পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে, সাবিলা অভিনীত ‘তাণ্ডব’ সিনেমার শুটিং সেট থেকেই নাকি তাদের সংসারের ভাঙনের সূচনা হয়েছিল। পোস্টে দাবি করা হয়েছে যে, ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের সঙ্গে সাবিলার ঘনিষ্ঠতা বাড়ার কারণে নেহালের সঙ্গে তার দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে।
এছাড়া, মিলি সুলতানা সাবিলার বিচ্ছেদের গুঞ্জনকে আরও জোরালো করে তুলতে অন্য নায়িকাদের সঙ্গে শাকিবের সম্পর্কের সমীকরণ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।
মিলি সুলতানা তার পরবর্তী পোস্টে আরও বিস্ফোরক দাবি করেছেন যে, ‘রকস্টার’ সিনেমার ডিওপি আবদুল মামুনের সঙ্গে সাবিলার গোপন সম্পর্ক রয়েছে। এই তথ্য প্রকাশিত হওয়ার পর সাবিলা ও নেহালের সাত বছরের সম্পর্কের মধ্যে চির ধরে গেছে।
অন্য একটি পোস্টে মিলি সুলতানা দাবি করেন, ‘যদিও শাকিবের সঙ্গে সাবিলা রোমান্সে অংশ নিয়েছেন, তবে তার ঘর ভাঙার জন্য আবদুল মামুন দায়ী—এ বিষয়ে আমি শতভাগ নিশ্চিত। এবার সাবিলার সুহৃদরা কি বলবেন?’
সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ধরনের চাঞ্চল্যকর পোস্ট ছড়িয়ে পড়ার পর তুমুল আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। একদল নেটিজেন এসব দাবিকে বানোয়াট ও মনগড়া গল্প বলে উড়িয়ে দিলেও অন্য একটি পক্ষ শাকিব খানের অতীতের ঘটনার কথা উল্লেখ করে এটিকে সত্যি বলার চেষ্টা করছেন।
অনেকে মনে করছেন, শোবিজ অঙ্গনে এ ধরনের ঘটনা এখন সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে মিলি সুলতানার এই দাবিগুলো ভক্তদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়েছে, কিন্তু এর সত্যতা নিয়ে প্রশ্নও রয়ে গেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন