প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের প্রখ্যাত শিল্পপতি এবং আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানি এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির খেতাব আবারও ফিরে পেয়েছেন। মার্কিন সাময়িকী ফোর্বসের রিয়েল-টাইম বিলিয়নেয়ার্স তালিকার উদ্ধৃতি দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএনআই।
আদানি গ্রুপের তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার ফলে তার মোট সম্পদের পরিমাণে ব্যাপক বৃদ্ধি ঘটেছে।
ফোর্বসের প্রতিবেদনের তথ্য অনুসারে, শুক্রবার (৫ জুন) আদানি গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির কারণে একদিনেই গৌতম আদানির সম্পদ প্রায় ২৫০ কোটি (২.৫ বিলিয়ন) ডলার বাড়ে। এর ফলস্বরূপ, তার মোট সম্পদ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৯২০ কোটি (৮৯.২ বিলিয়ন) ডলারে। এভাবে তিনি রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি (৮ হাজার ৮০০ কোটি ডলার) এবং সফটব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা মাসায়োশি সনকে (৮ হাজার ৭০০ কোটি ডলার) পিছনে ফেলে এশিয়ার শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করেন।
আদানি গ্রুপের কয়েকটি কোম্পানির শেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির কারণেই আদানির সম্পদ বৃদ্ধি ঘটেছে। ফোর্বস জানিয়েছে, এই তালিকায় রয়েছে আদানি পাওয়ার, আদানি পোর্টস, আদানি এন্টারপ্রাইজেস, আদানি গ্রিন এনার্জি ও আদানি এনার্জি সলিউশনস। এর মধ্যে আদানি গ্রিন এনার্জির শেয়ারের দাম ৬.৯ শতাংশ এবং আদানি এনার্জি সলিউশনসের শেয়ারের দাম ৩.৮ শতাংশ বেড়েছে। শুক্রবার পর্যন্ত আদানি গ্রুপের প্রধান ছয়টি কোম্পানির সম্মিলিত বাজারমূল্য ছিল প্রায় ১৯ হাজার ১০০ কোটি (১৯১ বিলিয়ন) ডলার।
আদানির এই শীর্ষস্থানে ফিরে আসা গৌতম আদানি এবং তার প্রতিষ্ঠানটির জন্য একটি বড় ধরনের প্রত্যাবর্তন হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। মার্কিন বিচার বিভাগ আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে আনা জালিয়াতির অভিযোগ খারিজ করে দেওয়ার পর থেকেই এই ধনকুবেরের ভাগ্য ফিরতে শুরু করে। অভিযোগ খারিজের পর গত এক মাসে তার সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ হাজার কোটি (১০ বিলিয়ন) ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে শুরু থেকেই গৌতম আদানি এবং তার প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারা এই জালিয়াতির অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন