প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার আলোচিত পলাশ প্রামাণিক হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দুই প্রধান আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। গত ১২ জুন রাতে ধার করা টাকা নিয়ে কালিয়া হরিপুর গ্রামে জুয়েল শেখের বাড়িতে একটি সালিস বৈঠক বসেছিল। এক পর্যায়ে জুয়েল ও হৃদয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে পলাশকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে।
এ ঘটনায় এজাহারভুক্ত সাত আসামির মধ্যে দুই নারীসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত পলাশ প্রামাণিক (২৫) কামারখন্দ উপজেলার বড়পাকুরিয়া গ্রামের পাশান প্রামাণিকের ছেলে। জবানবন্দি দেওয়া দুই আসামি হলেন সদর উপজেলার কড্ডা কৃষ্ণপুর গ্রামের হাফিজুর রহমানের ছেলে হৃদয় শেখ (২০) এবং কালিয়া হরিপুর গ্রামের দেলবার হোসেনের ছেলে মো. জুয়েল শেখ (৩১)।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সোহাগ জানান, গুরুতর আহত অবস্থায় পলাশকে প্রথমে সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতাল এবং পরে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ জুন ভোরে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের বাবা পাশান প্রামাণিক বাদী হয়ে সাতজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরো চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করে সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। এসআই সোহাগ আরও জানান, ঘটনার রাতে অভিযান চালিয়ে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে র্যাবের সহায়তায় ঢাকায় আত্মগোপনে থাকা মনজেলা খাতুনকে ২৯ জুন এবং প্রধান দুই আসামি হৃদয় ও জুয়েলকে ৩০ জুন জয়পুরহাট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গত ১ জুলাই আদালতে হাজির করা হলে হৃদয় ও জুয়েল হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুমন কুমার কর্মকার তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। বর্তমানে গ্রেপ্তার ছয় আসামিই কারাগারে রয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন