প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)-এর প্রেসিডেন্ট ড. তানাকা আকিহিকো নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেছেন।
শনিবার (৪ জুলাই) সকালে, ঠিক ১০টার দিকে তারা রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শনটি করেছিলেন।
এ সময় প্রতিনিধিদল চলমান মানবিক কার্যক্রমের বিষয়ে পর্যবেক্ষণ করেন এবং শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি), সরকারি কর্মকর্তা ও উন্নয়ন অংশীদারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
আরআরআরসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মায়ানমারের নাগরিক (এফডিএমএন) ও স্থানীয় আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর জন্য মানবিক সহায়তা এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার এবং জাইকার দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বকে আরো সুদৃঢ় করতেই এই সফরের গুরুত্ব রয়েছে।
আরআরআরসি জানাচ্ছে যে, ২০১২ সাল থেকে কক্সবাজারে স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা, জীবিকা, মৎস্য, পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি (ওয়াশ) এবং নগর উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে ঋণ, অনুদান ও কারিগরি সহায়তার মাধ্যমে প্রায় ৩৩ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে জাইকা।
এছাড়া, রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলার জন্য আরআরআরসিকে কারিগরি সহায়তা, সক্ষমতা বৃদ্ধি, জাতিসংঘের স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন এবং লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের কাজও গভীরভাবে সম্পন্ন করছে সংস্থাটি।
সফরকালে প্রতিনিধিদল মানবিক কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করে রোহিঙ্গা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য প্রয়োজনীয় সেবার মানোন্নয়ন, দুর্যোগ-সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই সমাধান নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা করেছেন।
শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার জাইকার অব্যাহত সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, ভবিষ্যতেও এই সহযোগিতা কক্সবাজারে মানবিক কার্যক্রমকে আরো শক্তিশালী করবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন