প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জেডি ভ্যান্স মন্তব্য করেছেন যে, অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত থাকলে ইরান শেষ পর্যন্ত চুক্তি করতে বাধ্য হবে। এছাড়া তিনি জানান, ইরান যাতে আবারও পারমাণবিক স্থাপনা গড়ে তুলতে না পারে—সেটিই ওয়াশিংটনের প্রধান লক্ষ্য।
ভ্যান্স এই প্রসঙ্গে বলেন, ইরানকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে—তারা কি অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে থাকতে চায়, নাকি তারা পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করতে চায়।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহণ পথ হরমুজ প্রণালিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার সময় ইরানের শেষ হয়েছে।
ভ্যান্সের ভাষ্য হলো, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি সরবরাহের পথ নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন রাখা খুবই জরুরি। তিনি দাবি করেন, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের ওপর ইরানের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণও আর নেই।
এদিকে, মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ইরানের ওপর ‘ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা’ আরোপের হুঁশিয়ারি দেন। তিনি দাবি করেন, যদি সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করা হয়, তাহলে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর প্রয়োজন কমে আসবে।
বেসেন্ট বলেন, ‘তেলের দাম কেন হঠাৎ বেড়ে গেল, তা আমি নিশ্চিত নই। আমরা যদি সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করি, তাহলে সম্ভবত বড় ধরনের সামরিক অভিযান (কাইনেটিক) নতুন করে শুরু করার প্রয়োজন হবে না।’ এখানে তিনি ‘কাইনেটিক’ শব্দটি ব্যবহার করে সামরিক শক্তি প্রয়োগের বিষয়টি বোঝান।
তিনি আগামী সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন নিষেধাজ্ঞা প্যাকেজের বিস্তারিত তুলে ধরবেন বলেও জানান।
সূত্র: সামাটিভি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন