প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নবগঠিত ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলার সদর দপ্তর যৌক্তিক স্থানে স্থাপনের দাবির পেক্ষাপটে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ৪৮ ঘণ্টার হরতাল শুরু হয়েছে। রবিবার (২৬ জুলাই) ভোর ৬টা থেকে ‘ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা বাস্তবায়ন সমন্বয় পরিষদ’-এর ডাকা এ কর্মসূচির ফলে খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম আঞ্চলিক মহাসড়ক, মিরসরাই-ফটিকছড়ি এবং হেঁয়াকো-চট্টগ্রাম সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে যায়।
সরেজমিনে যাওয়ার পর দেখা গেছে, নারায়ণহাট, দাঁতমারা, হেঁয়াকো ও বাগানবাজার এলাকায় অন্তত ২০ থেকে ২৫টি স্থানে বালুবাহী ট্রাক আড়াআড়িভাবে রেখে এবং বড় বড় গাছের গুঁড়ি ফেলে সড়কে ব্যারিকেড সৃষ্টি করেছেন আন্দোলনকারীরা। আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন স্থানে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভও করেছেন।
অবরোধের ফলে খাগড়াছড়ি ও ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রামের সড়ক যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। মহাসড়কের দুই পাশে শত শত পণ্যবাহী ট্রাক ও যাত্রীবাহী বাস আটকা পড়ে, যার ফলে যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকরা চরম দুর্ভোগে পড়ছেন।
আন্দোলনকারীদের দাবি হলো, সদ্য ঘোষিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর পশ্চিম ভূজপুরে নির্ধারণ করা হলেও সেটি উক্ত উপজেলার অধিকাংশ মানুষের জন্য সুবিধাজনক নয়। তারা দাঁতমারা ও নারায়ণহাট ইউনিয়নের মধ্যবর্তী কোনো যৌক্তিক স্থানে সদর দপ্তর স্থাপনের জন্য দাবী জানান। তারা দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ারও ঘোষণা দেন।
ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে জানিয়েছেন, হরতালের কারণে যান চলাচল বন্ধ থাকলেও এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তিনি বলেন, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন