প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ম্যাকাই টেস্টের দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনে বল হাতে শরিফুল ইসলামের ইতিহাসগড়া ৭ উইকেটে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে ২১০ রানে গুটিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু বাংলাদেশ নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ১৪৬ রানে পিছিয়ে আবারও বিপদে পড়েছে শান্তর দল, মিচেল স্টার্কের পেস আক্রমণের কারণে।
দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনের খেলা শেষে স্বাগতিকরা ৩ উইকেটে ৩৯ রান তুলে লাঞ্চ বিরতিতে যায় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
এর আগে অস্ট্রেলিয়াকে ৮ উইকেটে ১৬৫ রান নিয়ে দিন শুরু করার পর ২১০ রানে থামাতে মূল ভূমিকা রাখেন শরিফুল ইসলাম। মাত্র ৪৮ রান খরচায় ৭টি উইকেট শিকারের মাধ্যমে টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে বাংলাদেশি পেসারদের মধ্যে সেরা বোলিং ফিগারের নতুন রেকর্ড গড়েন তিনি। ওই দিনের অষ্টম ওভারে উইকেটে জমে যাওয়া ক্যামেরন গ্রিনকে (৬৭) নিজের ইনসুইং ইয়র্কারে সাজঘরে পাঠানোর মাধ্যমে তার দারুণ বোলিংয়ের চিত্র ফুটে ওঠে।
শেষপ্রান্তে নাথান লায়ন (৩২*) ও জশ হ্যাজেলউডের ২৪ রানের জুটি ভেঙে দেন তাইজুল ইসলাম।
কিন্তু পরবর্তীতে বাংলাদেশের বড় রানের বোঝা মাথায় নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে তারা শুরুতেই ‘ভূতুড়ে বিপর্যয়ে’ পড়ে যায়। প্রথম ২ ওভারে ৫ রান সংগ্রহের পর তৃতীয় ওভারে শুরু হয় স্টার্কের ঝড়! ওই ওভারের প্রথম বলে শর্ট বলের ফাঁদে ফেলে সাদমান ইসলামকে (১) পয়েন্টে মার্নাস লাবুশেনের ক্যাচ বানান বর্ষীয়ান এই বাঁহাতি পেসার। পরের বলটিতেও গুটিয়ে গিয়ে শূন্য রানে সাজঘরের পথ ধরেন মুমিনুল হক।
মাত্র ৫ রানে ২ উইকেট হারানোর পর বাংলাদেশ যখন বিপদের কিনারায় দাঁড়িয়ে ছিল, তখন ক্রিজে এসে মারমুখী মেজাজে প্রতিআক্রমণ শুরু করে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। নবম ওভারে স্টার্ককে পরপর দুটি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে তিনি দলের স্বস্তি ফেরানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু অন্য প্রান্তে থিতু হওয়া তানজিদ হাসান তামিম তাঁকে সাহায্য করতে পারেননি। ডারউইনে মহাকাব্যিক সেঞ্চুরির পর টানা দুই ইনিংসে ডাক মারা এই ওপেনার প্যাট কামিন্সের বলে বাউন্ডারি লাইনের স্টার্কের ক্যাচ হওয়ার আগে মাত্র ৩৪ বলে ৯ রান সংগ্রহ করেন।
২৪ রানে ৩ উইকেট হারানোর পরে অধিনায়ক শান্ত ও অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম হাল ধরেন। টেস্টে দলের ম্যাচ বাঁচানোর বড় দায়িত্ব এখন তাদের কাঁধেই। সেশন শেষে ২৩ রানে শান্ত এবং ৪ রানে মুশফিকুর রহিম অপরাজিত থেকে নিজেদের পারফরম্যান্স ঠিক রাখেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন