প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বহিষ্কৃত জামায়াত নেতা এবং সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে ডাকা হয়নি। উল্লেখ্য, তিনি ১০ সদস্যবিশিষ্ট সংসদীয় এই স্থায়ী কমিটির একটি সদস্য।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) কমিটির সভাপতি মো. মনিরুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত এবং পরিচিতি পর্বের আয়োজন করা হয়। এরপর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তরের প্রধানেরা তাদের নিজ নিজ কার্যক্রম উপস্থাপন করেন।
সংসদীয় কমিটির সূত্র থেকে জানা গেছে, গাজী নজরুল ইসলামকে বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। কিন্তু সংসদের ওয়েবসাইটে গাজী নজরুল ইসলামের নাম ওই কমিটির সদস্যদের তালিকায় রয়েছে। তাকে কমিটি থেকে বাদ পড়া বলা হয়নি।
কমিটির সভাপতি ও বিএনপিদলীয় সংসদ সদস্য মনিরুল ইসলাম চৌধুরী একটি গণমাধ্যমকে জানান, জামায়াতে ইসলামী জানিয়েছে যে ওই সদস্য তাদের দলে নেই। যেহেতু জামায়াত চেয়ে নি, তাই স্পিকারের অনুমতিক্রমে গাজী নজরুল ইসলামকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
বৈঠকে কমিটির সদস্য এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, সংসদ সদস্য মো. ফজলুর রহমান, মো. আবদুল হান্নান, আমীর এজাজ খান, এবং রোকেয়া বেগম অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সকল দপ্তর, অধিদপ্তর এবং সংস্থাগুলোর প্রধান, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ ভিডিও ফাঁস হওয়ার পর গত ২২ জুলাই গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে জামায়াতে ইসলামী। পরদিন তারা বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠির মাধ্যমে জাতীয় সংসদের স্পিকার এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) জানায়। চিঠিতে গাজী নজরুল ইসলামের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন