প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের আসামের বন্যার পানি নামতে শুরু করায় সিলেটের সুরমা ও কুশিয়ারার নদীতে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। দুই নদীর পানি বিপৎসীমা ছুঁয়েছে। কিন্তু, পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানাচ্ছে, ভারতের মেঘালয়, আসাম এবং বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে নতুন করে ভারি বৃষ্টিপাতের কোনো সম্ভাবনা নেই। তাই বন্যার পরিস্থিতির কোনো আশঙ্কা নেই। নদীর পানি আরও কিছুটা বেড়ে গেলেও পাউবো বন্যার সম্ভাবনা দেখছে না।
পাউবো সিলেট অফিসের প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে, বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সুরমা নদীর পানি কানাইঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে সিলেট পয়েন্টে গেল ২৪ ঘন্টায় ৯ সেন্টিমিটার বেড়ে গেলেও, সে অঞ্চলের পানি বিপৎসীমার অধীনে রয়েছে। অন্যদিকে, কুশিয়ারা নদীর পানি আমলশীদ পয়েন্টে বিপৎসীমার সমান এবং ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে ৩৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। যদিও পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শেওলা এবং শেরপুর পয়েন্টে পানির স্তর এখনো বিপৎসীমার নিচে রয়েছে। এছাড়া সারিগোয়াইন, পিয়াইন, লোভা ও ধলাই নদীর পানিও কিছুটা বেড়েছে, কিন্তু নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার নিচে অবস্থান করছে।
সিলেটের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ বলেন, আসামের বন্যার পানি নিচের দিকে আসায় সুরমা ও কুশিয়ারার পানির স্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে বর্তমানে সিলেট কিংবা ভারতের আসাম, মেঘালয়ে নতুন ভারি বর্ষণের কোনো পূর্বাভাস নেই। তাই সিলেট অঞ্চলে বন্যার কোনো আশঙ্কা নেই।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন