প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ দলে প্রায় ৪ বছর পর ফিরেছেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। ২০২২ সালের আগস্টে দেশের হয়ে তার সর্বশেষ ওয়ানডে খেলা হয়। দীর্ঘ সময় ধরে জাতীয় দলের বাইরে থাকার পর ঘরোয়া ক্রিকেটে নিজেকে প্রস্তুত করেছেন তিনি। চলতি ডিপিএলে ভালো পারফর্ম করে তিনি দলে ডাক পেয়েছেন। সৈকতের দলে আগমনকে বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ বাড়তি পাওনা হিসেবে দেখছেন। তিনি জানান, সঠিক সময়ে মোসাদ্দেক দলে ফিরে এসেছেন।
বাংলাদেশ ১৫ বছর পর ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ খেলতে যাচ্ছে। আগামীকাল (৯ জুন) সিরিজের প্রথম ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে। সিরিজের আগে আজ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হন মিরাজ। তিনি জানান, মোসাদ্দেকের কাছে ভালো কিছুর প্রত্যাশা তার। মিরাজ বলেন, ‘ও (মোসাদ্দেক) ঘরোয়াতে অনেক বছর ধরে পারফর্ম করেছে এবং খুব ভালো ক্রিকেটও খেলছে, ছন্দেও আছে। আমার কাছে মনে হয় এটাই সঠিক সময় ওকে নেওয়ার এবং আমাদের যে জায়গাটা আমরা চিন্তা করেছি, সেই জায়গাটা যদি ও ভালো করতে পারে দলের জন্য অনেক ভালো হবে।’
বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক নির্বাচক গাজী আশরাফ লিপু বলেছিলেন, মিরাজ দলে থাকলে মোসাদ্দেককে নেওয়ার সুযোগ নেই। তার মতে, দুজনের ভূমিকা একইরকম, সে কারণে যেকোনো একজনকেই দলে নিতে হয়। কিন্তু মিরাজ জানালেন, তিনি এই বিষয়ে একদমই সহমত নন। তার মতে, দুজনের ভূমিকা পুরোপুরি ভিন্ন। মিরাজ মোসাদ্দেককে ব্যাটিং অলরাউন্ডার এবং নিজেকে বোলিং অলরাউন্ডার বলে উল্লেখ করেছেন।
মিরাজ বলেন, ‘আমি এবং মোসাদ্দেক কিন্তু একসঙ্গে বাংলাদেশ দলে অনেকদিন খেলেছি এবং ১৯ সালের বিশ্বকাপেও আমরা একসঙ্গে খেলেছি। মোসাদ্দেক তার ভূমিকাটা রাখবে, আমি আমারটা। মোসাদ্দেক হলো ব্যাটিং অলরাউন্ডার, আমি হলাম বোলিং অলরাউন্ডার, তাই দুজনের ভূমিকাটা আলাদা। যদি সে পারফর্ম করতে পারে, এটি আমার জন্য এবং দলের জন্য অনেক বিরাট উপকার হবে। দিনশেষে আমরা সবাই চিন্তা করি যে দলটাকে কোন জায়গায় নিয়ে যাওয়া যায়। আমি অনেক আত্মবিশ্বাসী ওকে নিয়ে....যেভাবে সে ঘরোয়াতে ভালো পারফর্ম করেছে। যদি সুযোগ আসে, ভালো করবে।’
মোসাদ্দেকের বোলিংকে বাড়তি সুবিধা হিসেবে দেখছেন মিরাজ, ‘আমাদের এরকম একটা যদি বিকল্প থাকে দলের জন্য ভালো হবে। পাঁচটা বোলার নিয়ে যখন খেলবেন, একটি বাড়তি বোলার থাকবে, তখন অনেক আত্মবিশ্বাস থাকবে। একটি বোলারের খারাপ দিন যেতেই পারে। সুতরাং ব্যাকআপ হিসেবে বোলার থাকলে দলের ভারসাম্যটা খুব ভালো থাকে। আর সুযোগ থাকলে অবশ্যই ভালো করার চান্স থাকবে। সে ঘরোয়াতে অনেক ভালো বোলিং করেছে এবং সে প্রমাণিত। সে যদি ভালো জায়গায় বল করে ভালো হবে এবং অধিনায়ক হিসেবে আমারও অনেক আত্মবিশ্বাস থাকবে তাকে নিয়ে, যদি ভালো বল করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন