প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপ খেলে দেশে ফিরে ফুটবলাররা আর্থিক পুরস্কার লাভ করেছেন। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (ফিফা) অনূর্ধ্ব-১৫ বছর বয়সী ফুটবলারদের জন্য বিশ্বকাপের আয়োজন করে। এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ পঞ্চম স্তরে রানার্সআপ হিসেবে শেষ করেছে।
স্পেন এই আসরের মূল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। বাংলাদেশ ১৮৭ দেশের মধ্যে ১৩০ তম স্থানে অবস্থান নিয়েছে। আজারবাইজানের বাকু থেকে দেশে ফেরার পর, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) দলের প্রত্যেক খেলোয়াড়কে সংবর্ধনা প্রদান করে।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ফুটবলারদের জন্য ১ লাখ টাকা করে আর্থিক পুরস্কার ঘোষণা করেন। বাফুফে সহ-সভাপতি নাসের শাহরিয়ার জাহেদী আজ খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের ৫০ হাজার টাকা করে প্রদান করেন। ফাইনালে সেন্ট্রাল আফ্রিকার বিপক্ষে হারের পর তিনি ১০ লাখ টাকা বোনাসের ঘোষণা দেন।
বাংলাদেশ পাঁচ নম্বর স্তরে রানারআপ হলেও, কিছু ফুটবলার আশাব্যাঞ্জক পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছেন। বিশেষ করে গোলরক্ষক শ্রীনাথ হালদার দুই ম্যাচে টাইব্রেকারে অসাধারণ সেভ করেছেন। আরও কয়েকজন ফুটবলার অন্য দেশের ক্লাবে নজর কেড়েছেন। বয়স ভিত্তিক পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও তা হারিয়ে যায়।
এই ফুটবলারদের হারিয়ে না যাওয়ার দায়িত্ব নিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ফলাফল যাই হোক কিংবা অবস্থান, আমাদের ফুটবলারদের সম্ভাবনা রয়েছে, সেটা সত্যি। তাদের উৎসাহিত করতেই আমি এসেছি। দীর্ঘমেয়াদে প্রশিক্ষণ দিয়ে তারা যেন বড় ফুটবলার হতে পারে, এই বিষয়টি বাফুফে দেখবে। মন্ত্রণালয় থেকেও আমরা প্রয়োজনীয় সহায়তা করব।”
বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বলেন, “আমরা তৃণমূল ফুটবল নিয়ে কাজ করছি। বিশ্বকাপে আমাদের ছেলেদের এই পারফরম্যান্স সেটারই প্রদর্শন। প্রায় এক বছর সময় নিয়ে দেশব্যাপী অ-১৫ টুর্নামেন্ট হয়েছে। এরপর বাছাই করে সেখান থেকে ক্যাম্প করে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করেছে। আমরা অনুশীলনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখব। মন্ত্রী আমাদের পাশে রয়েছেন।”
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন