প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দীর্ঘ সময় পর বাংলাদেশ টেস্ট খেলতে আসছে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে। ১৩ আগস্ট ডারউইনে শুরু হতে যাওয়া সিরিজটি সাবেক অস্ট্রেলিয়ান তারকা অ্যাডাম গিলক্রিস্টের জন্য অনন্য এক অনুভূতি তৈরি করছে।
অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট ক্রিকেট সম্পর্কে একটি উৎসব তুলে ধরে। সাধারণত এই সময়টাতে অজিরা টেস্ট খেলার জন্য মাঠে নামে না। এই কারণে, আবহাওয়া উপযুক্ত না হওয়ার এবং টেস্ট ক্রিকেটের দেড়শ বছর পূর্তি উপলক্ষে মার্চ মাসে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের মধ্যে বিশেষ টেস্ট আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের বিপক্ষে এই সিরিজের সময় এগিয়ে আনা হয়েছে।
ডারউইনে অতীতে দুইটি টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০০৩ সালে প্রথম টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বাংলাদেশ টেস্ট খেলেছিল এবং গিলক্রিস্টও সেখানে ছিলেন। পরে ২০০৪ সালের জুলাই মাসে অজিদের বিপক্ষে খেলেছিল শ্রীলঙ্কা।
গিলক্রিস্ট পুরোনো স্মৃতি নতুনভাবে মনে করিয়ে দিতে গিয়ে ফক্সস্পোর্টসকে জানান, "বাংলাদেশের বিপক্ষে ডারউইনের টেস্ট ম্যাচে আমি ব্যাটিংয়ে নামতে পেরেছিলাম, কিন্তু কেয়ার্নসে ব্যাটিংয়ের সুযোগ হয়নি। সেখানে আমার ছেলেরা ভালো ব্যাটিং করেছিল।"
গিলক্রিস্ট জানান, অস্ট্রেলিয়ার ক্রান্তীয় অঞ্চলে অবস্থিত ডারউইনে খেলার সংখ্যা কম হওয়া এবং এই স্টেডিয়ামে খেলার জন্য অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটারদের অভ্যস্ততা কম রয়েছে।
তিনি বলেন, "এখানে ঐতিহ্যবাহী গ্রীষ্মকালীন টেস্ট ম্যাচের মতো ফোকাস ও জাঁকজমক নেই। পরিবেশটা এখানে বেশ স্বচ্ছন্দ এবং সতেজ। মনে আছে, এটা নতুন ও ভিন্ন।"
অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটাররা এই জায়গায় খেলার জন্য অভ্যস্ত নন বলেও গিলক্রিস্ট মন্তব্য করেন। তিনি আরও বলেন, "যদিও এটি একটি টেস্ট ম্যাচ, তবে পারিপার্শ্বিক দৃশ্যপটে একটি পরিবর্তন এবং অন্যান্য ভেন্যুর সঙ্গে যে অভ্যস্ততা থাকে, তা থেকে এটি আলাদা। আমার মনে হয়, এই সতেজতা দলের ভেতর সত্যিই উত্তেজনাপূর্ণ অনুভূতি তৈরি করতে পারে।"
ডারউইনে আগামী ১৩ আগস্ট মাঠে গড়াবে অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যকার টেস্ট সিরিজ। দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচ মাঠে গড়াবে ম্যাকাইতে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন