প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এর ৭৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে ২৭টি ওয়ার্ড। ৬৩টি ওয়ার্ডে মশার ঘনত্বও পাওয়া গেছে বেশি। এডিস মশাই মোট মশার লার্ভার ৮৭ শতাংশ। এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগের প্রতিরোধে ‘প্রাক-বর্ষা এডিস মশার লার্ভা জরিপে’ এসব তথ্য উঠে এসেছে। দক্ষিণ সিটির প্রশাসক জানিয়েছেন, তারা ডেঙ্গু প্রতিরোধে সকল প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করছেন। তিনি আরও বলেন, সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে ডেঙ্গুমুক্ত একটি সিটি গড়ে তোলা সম্ভব। চলতি বর্ষার মৌসুম শুরুর আগে ডেঙ্গু গুরুতর চ্যালেঞ্জ হয়ে ওঠছে। টানা কয়েক দিনের বৃষ্টির পর তীব্র গরম শুরু হয়েছে, যা ডেঙ্গুর প্রধান বাহক এডিস মশার সংখ্যা বাড়িয়ে তুলছে। বিগত কয়েক বছরের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দেশে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর প্রায় অর্ধেকই ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে। বিশেষ করে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় মৃত্যুর হার তুলনামূলকভাবে বেশি। সেক্ষেত্রে, এবার বর্ষা মৌসুমের আগেই ডেঙ্গু নিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সিটি করপোরেশন। এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগ প্রতিরোধে ডিএসসিসি প্রথমবারের মতো ১২ মে নিজের উদ্যোগে ‘প্রাক-বর্ষা এডিস মশার লার্ভা জরিপ’ কার্যক্রম শুরু করেছে। এ কার্যক্রমে ১২ দিনে ঢাকা দক্ষিণ সিটির ৭৫টি ওয়ার্ডের ২২৩৮টি বাড়ি পরিদর্শন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ঢাকা দক্ষিণের নগর ভবনে এ জরিপের ফলাফল প্রকাশের সময় সিটি করপোরেশন পরবর্তী পরিকল্পনাও তুলে ধরেছে। এসময়, প্রশাসক আব্দুস সালাম জানিয়েছেন, দক্ষিণ সিটির ২৮১টি বাড়িতে পাওয়া গেছে লার্ভা। এর ভেতর ৮৭ শতাংশ লার্ভা এডিস মশার। এছাড়া, ৬৩টি ওয়ার্ডে মশার ঘনত্ব বেশি জানা গেছে। তিনি বলেন, দক্ষিণ সিটির অন্তত ২৭টি ওয়ার্ড এখন ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। জরিপের ফলাফল অনুযায়ী, প্রতিরোধ কার্যক্রমের ঘোষণা দিয়েছেন প্রশাসক। সেই সাথে তিনি ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া প্রতিরোধে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণের কথাও বলেন। তাছাড়া, ডেঙ্গু চিকিৎসায় হাসপাতালে ১০ শতাংশ বেড বিনামূল্যে রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের উদ্যোগের পাশাপাশি সকল নাগরিকের অংশগ্রহণ জরুরি বলেও মন্তব্য করেন আব্দুস সালাম। গত ২ জুন এক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ওষুধ ও খাবারের খরচ রোগী বহন করবে বলে জানিয়েছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, দেশের সব বেসরকারি হাসপাতালে ১০ শতাংশ বেড ফাঁকা রাখতে হবে। সেইসাথে ডেঙ্গুর টেস্টে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন