প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় জাতীয় ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, এবারের ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার হবে ভবিষ্যতে যাতে কেউ দেশের এবং জনগণের অধিকার হরণ করতে না পারে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লব বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী ষড়যন্ত্রকে রুখে দিয়েছিল। একইভাবে ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটবে।
তারেক রহমান আরও বলেন, ১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের জন্য, আর ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান হবে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ ও কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতের ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের পথ নির্মাণের প্রয়োজন রয়েছে। বাংলাদেশের বাস্তবতায় জাতীয় ঐক্য সমুন্নত রাখতে ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লবের চেতনা ধারণ করা অত্যন্ত জরুরি।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশপ্রেমিক গণতন্ত্রকামী জনগণের অঙ্গীকার হোক—দিল্লি নয়, পিণ্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন