প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইউক্রেন রাতভর ৪০০টি ড্রোন ব্যবহার করে মস্কো ও আশপাশের এলাকায় হামলা চালিয়েছে। এই হামলার ফলে ১০ জন আহত হয়েছেন এবং বেশ কয়েকটি ভবনে আগুন লাগেছে। সোমবার (২০ জুলাই) রুশ কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে এটি রাশিয়ার রাজধানী মস্কোকে লক্ষ্য করে পরিচালিত অন্যতম বৃহৎ ড্রোন হামলা। এই হামলায় ৪০০টিরও বেশি ইউক্রেনীয় ড্রোন ব্যবহারের কথা মস্কো জানিয়েছে।
মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন বার্তা সংস্থা টেলিগ্রামে উল্লেখ করেন, ইউক্রেনের পক্ষ থেকে রাতভর অন্তত ৪০০টি ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, ড্রোনের একটি বড় অংশ রাজধানী মস্কোর সীমান্তের বাইরে ধ্বংস করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮৫টি ড্রোন মাঝপথে ভূপাতিত করা হয়েছেন রাশিয়ার হাতে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাস এই ঘটনাকে সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে মস্কোর ওপর ইউক্রেনের অন্যতম বড় হামলা বলে বর্ণনা করেছে।
মস্কো অঞ্চলের গভর্নর আন্দ্রে ভোরোবিওভ রাশিয়ার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ম্যাক্স-এ জানান, আকাশ প্রতিরক্ষা ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ব্যবস্থার সহযোগিতায় কিছু আক্রমণ ঠেকানো সম্ভব হলেও পোডোলস্ক, ডমোদেডোভো এবং ওডিনত্সোভো জেলায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনি জানান, ভূপাতিত ড্রোনের ধ্বংসাবশেষের ফলে বেশ কিছু ব্যক্তিগত ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কয়েকটি স্থানে আগুন লেগেছে এবং বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে।
এদিকে, ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভসহ দেশের বিভিন্ন শহরে ভয়াবহ ব্যালিস্টিক ও হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী এই হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত এবং বহু মানুষ আহত হয়েছেন। ইউক্রেনের কর্মকর্তাদের দাবি, এটি ২০২২ সালে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর রাশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। হামলার ফলে রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রবিবার (১৯ জুলাই) গভীর রাত থেকে সোমবার ভোর পর্যন্ত এই হামলা চলেছিল।
ইউক্রেনের কর্মকর্তারা জানান, রাজধানী কিয়েভকে লক্ষ্য করে ইস্কান্দার-এম ও হাইপারসনিক জিরকনসহ প্রায় ৪০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে রাশিয়া। গভীর রাত দেড়টার দিকে যখন বাসিন্দারা ঘুমিয়ে ছিলেন, তখন বিমান হামলার সতর্কসংকেত বেজে ওঠে। প্রথমে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রতিরোধের আওয়াজ শোনা যায়। এরপর কয়েক মিনিটের ব্যবধানেই একের পর এক বিকট বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে রাজধানী। সূত্র: রয়টার্স, এবিসি নিউজ
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন