প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরি উপজেলায় ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে গিয়ে এক প্রবাসীর স্ত্রী ও তার দশম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে আটক করেছে। সোমবার (৮ জুন) রাত আড়াইটার সময় উপজেলার পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের সিকদারপাড়া ডলনিরঘোনা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো. মনির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় ৬ জনকে আটক করা হয়েছে। চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার অভিজিৎ দাশসহ থানার একাধিক টিম ঘটনাস্থলে পৌছে অধিকতর তদন্তে মাঠে রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, ৮ থেকে ১০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাতদল বাড়ির জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। তারা নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এক পর্যায়ে বর্তমানে ওই বাড়িতে অবস্থানরত প্রবাসীর স্ত্রী ও তার মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।
মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গুরুতর আহত মা ও মেয়েকে উদ্ধার করে প্রথমে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর মামা মারুফ জানান, তার বোন ও তার স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে পাশবিক অত্যাচার করেছে ডাকাতদল। বর্তমানে তাঁর ভাগ্নির অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের প্রথমে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে হস্তান্তর করা হয়েছে। চিকিৎসকরা অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে (আইসিইউ) চিকিৎসা দিচ্ছেন।
এদিকে, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনতা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুরো এলাকা ঘিরে ফেলেছে। মঙ্গলবার ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত অভিযানে ৬ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- রেজাউল, মেহেদী, বাবু, কেফায়েত ও তানজিদ। তারা পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের বাসিন্দা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন