প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় বিশ্বের সবচেয়ে দুর্বল শহরের তালিকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম
আলফা-জিও, একটি ভৌগোলিক-স্থানিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) প্রতিষ্ঠান, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় বিশ্বের বড় শহরগুলোর সক্ষমতা নিয়ে একটি মূল্যায়ন প্রকাশ করেছে। এই মূল্যায়নে দেখা গেছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবেলায় সক্ষমতার দিক থেকে বাংলাদেশের দুটি শহর সর্বনিম্ন তালিকার প্রথম সারিতে অবস্থান করছে
তালিকার চতুর্থ ও নবম স্থানে রয়েছে রাজধানী ঢাকা এবং বন্দরনগরী চট্টগ্রাম। খবর
বন্যা, উপকূলীয় বন্যা, তীব্র তাপপ্রবাহ, খরা, দাবানল এবং হারিকেনের মতো জলবায়ুজনিত ঝুঁকির পাশাপাশি, শহরগুলোর অভিযোজন সক্ষমতা, অবকাঠামো, আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা, শাসনব্যবস্থা এবং নীতিগত প্রস্তুতি বিবেচনা করে ৭২টি শহরের একটি তালিকা তৈরি করেছে আলফা-জিও।
এই সূচকে, ঢাকা চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে, যা নির্দেশ করে যে জলবায়ু ঝুঁকির মাত্রার তুলনায় দুর্যোগ মোকাবেলা ও অভিযোজন সক্ষমতার দিক থেকে বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ বড় শহর হিসেবে বাংলাদেশের রাজধানী চিহ্নিত হয়েছে।
তালিকায় বাংলাদেশের আরেকটি বড় শহর চট্টগ্রামও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
আলফা-জিওর তৈরি করা এই সূচকে দেখা গেছে, সর্বনিম্ন সক্ষমতার তালিকার প্রথম স্থানে রয়েছে ভারতের আহমেদাবাদ। এরপর পাকিস্তানের হায়দ্রাবাদ এবং মুলতান রয়েছে। চতুর্থ স্থানে রয়েছে ঢাকা।
তালিকায় পরবর্তীতে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর, ভারতের কলকাতা, পাকিস্তানের ফয়সালাবাদ এবং করাচি, বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, এবং তাইওয়ানের তাইপেই।
অন্যদিকে, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় সবচেয়ে সক্ষম শহরের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো। এরপর রয়েছে ইথিওপিয়ার আদ্দিস আবাবা, অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন, স্পেনের বার্সেলোনা, তুরস্কের আঙ্কারা, আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস এইরেস, ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস, তুরস্কের বৃহত্তম শহর ইস্তাম্বুল, কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোতা এবং কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবি।
আলফা-জিওর সূচকে একটি শহরের সহনশীলতা নির্ধারণের জন্য শুধুমাত্র প্রাকৃতিক বা জলবায়ুজনিত ঝুঁকির মাত্রা বিবেচনা করা হয়নি। বন্যা, উপকূলীয় বন্যা, তীব্র তাপপ্রবাহ, খরা, দাবানল এবং হারিকেনের মতো ঝুঁকির পাশাপাশি, শহরটির অভিযোজন সক্ষমতাও মূল্যায়ন করা হয়েছে।
এই সক্ষমতা নির্ধারণে আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা, শাসনব্যবস্থা, নীতিগত উদ্যোগ এবং বন্যা প্রতিরোধক বাঁধ ও উন্নত নিষ্কাশন ব্যবস্থার মতো অবকাঠামোকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন