প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, যার উদ্দেশ্য হলো বড় করপোরেট গোষ্ঠীর একচেটিয়া বাজার নিয়ন্ত্রণ কমানো এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সুরক্ষায় বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে আরও শক্তিশালী করা।
আজ সংসদে এম নুরুল ইসলামের লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা জানান, যিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের বিরোধী দলীয় সদস্য (জামায়াতে ইসলামী)।
মন্ত্রী বলেন, বাজারে প্রতিযোগিতা বিরোধী কার্যক্রম ও বাজার কেন্দ্রীকরণ মোকাবিলায় বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য 'স্ট্রেনদেনিং দ্য বাংলাদেশ কম্পিটিশন কমিশন' শীর্ষক একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্রকল্প প্রস্তাবটি গত ৬ এপ্রিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) পাঠানো হয়েছে।
এছাড়াও, প্রতিযোগিতা আইন, ২০১২-কে আরও আধুনিক ও ব্যবসাবান্ধব হিসাবে গড়ে তোলার জন্য আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত প্রস্তাব বর্তমানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পর্যালোচনাধীন রয়েছে।
মন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির প্রকাশ করেন, বর্তমান বাজার ব্যবস্থার বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ সংশোধনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে, যাতে আইনটি আরও কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা সম্ভব হয়।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সক্ষমতা বৃদ্ধির ব্যাপারে মন্ত্রী জানান, প্রতিষ্ঠানটির জনবল ও লজিস্টিক সুবিধা সম্প্রসারণের একটি প্রস্তাব বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, অধিদপ্তরের বিদ্যমান ৩৬৬টি অনুমোদিত পদের সঙ্গে নতুন ১ হাজার ৩৯৬টি পদ যুক্ত করা হবে, ফলে মোট জনবল ১ হাজার ৭৬২ জনে উন্নীত হবে।
এছাড়া, বাজার তদারকি ও আইন প্রয়োগ কার্যক্রম আরও জোরদার করতে অধিদপ্তরকে যানবাহনসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও মন্ত্রী জানান।
মন্ত্রী আরো বলেন, বাজার মনিটরিং, ভোক্তা সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অধিদপ্তরের বাজেট বরাদ্দও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে দেশে প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসায়িক পরিবেশ গড়ে উঠবে, বাজারে একচেটিয়া আধিপত্য কমবে এবং ভোক্তাদের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের স্বার্থ আরও কার্যকরভাবে সুরক্ষিত হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন