প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া নিয়ে বিরোধের জন্য জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের এবং অ্যাম্বুলেন্স চালকদের মধ্যে হাতাহাতির একটি ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এনসিপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, দুই কর্মী আহত হয়েছেন।
রোববার (৭ জুন) বিকেলে এই ঘটনা চমেক হাসপাতালে সংঘটিত হয়।
আহত হওয়া ব্যক্তিরা হলেন আজগর আলী আশিক ও শাহাদাত। তারা দুজনেই এনসিপির কর্মী হিসেবে পরিচিত।
জানা গেছে যে, সকালে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া নিয়ে প্রথমে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরে সেই কথাকাটাকাটি হাতাহাতিতে রূপ নেয়।
অ্যাম্বুলেন্স চালকরা অভিযোগ করেছেন যে, এনসিপির নেতাকর্মীরা তাদের সঙ্গে বৈঠক করার জন্য অনুরোধ করে আসছে। কিন্তু বৈঠক না করায় এনসিপির সদস্যরা ঝামেলা সৃষ্টি করছে বলে দাবি করেছেন চালকেরা।
ঘটনার সংক্রান্ত একটি বিবৃতিতে চট্টগ্রাম নগর এনসিপির সদস্য সচিব আরিফ মঈনুদ্দিন বলেন, যে সকাল বেলায় নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে একটি অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া নিতে গিয়ে ১২ হাজার টাকা চাওয়া হয়। পরে যখন অন্য একটি অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করার চেষ্টা করা হয়, তখন চমেক এলাকার অ্যাম্বুলেন্স চালক সিন্ডিকেট তা阻止 করে। প্রতিবাদ জানাতে গেলে এনসিপির নেতাকর্মীদের প্রতি হামলা চালানো হয়েছে। এরপর সংবাদ সম্মেলন করার চেষ্টায় বাধা দেয়ার ঘটনা ঘটেছে এবং ঘটনাস্থলে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে আমাদের দুই কর্মী আহত হন।
আরিফ মঈনুদ্দিন আরও জানান, চমেক হাসপাতালে রোগী কিংবা মরদেহ পরিবহনের জন্য একটি সিন্ডিকেট কাজ করছে। তাদের বাইরে অন্য কোন অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করতে গেলে বাধা পাওয়া যায়। বাইরের অ্যাম্বুলেন্স চালকদেরও ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
তিনি দাবি করেন, রোগী এবং তাদের স্বজনদের স্বার্থে এ সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়ায় উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজনে, যেন সেবাগ্রহীতারা দরদাম করে সাশ্রয়ী মূল্যে সেবা গ্রহণ করতে পারেন।
পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহেদুল ইসলাম মন্তব্য করেন, দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতির একটি ঘটনা ঘটেছে। আমরা তাদেরকে দুদিকে সরিয়ে দিয়েছি। পরবর্তীতে এনসিপির নেতাকর্মীরা নিরাপদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন