প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রংপুরে অবৈধভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে কালোবাজারির মাধ্যমে টিসিবির পণ্য মজুদ রাখার মামলায় মো. আলী হাসান মুন্না (৩৫) নামে এক ব্যবসায়ীকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সাথে তাকে দশ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও গুণতে হবে। এটি না দেয়ায় তাকে আরও চার মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট ২০২৬) রংপুর মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মশিউর রহমান খান এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মো. আলী হাসান মুন্না রংপুর মহানগরীর কোতয়ালী থানার আলমনগর কলোনির বাসিন্দা। তিনি মরহুম এখলাক হাজীর পুত্র।
আদালত সূত্রে জানানো হয়, কোতয়ালী থানার মামলা নম্বর-৬৩, তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০২০ এবং জিআর নম্বর-৭২৩/২০ (কোতয়ালী) মামলাটি পরবর্তীতে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল মামলা নম্বর-১০৩/২৫ হিসেবে বিচারাধীন ছিল। মামলায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫(১) ধারায় আলী হাসান মুন্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।
এ মামলার অভিযোগে বলা হয়, কালোবাজারির মাধ্যমে টিসিবির পণ্য মজুদ করার অপরাধে আলী হাসান মুন্নার কাছ থেকে ৪০০ কেজি চিনি, ৫৪ লিটার সয়াবিন তেল এবং ২৮৮ কেজি পেঁয়াজ উদ্ধার করা হয়। এর বিরুদ্ধে কোতয়ালী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
মামলার দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউশনের আইনজীবী মো. আব্দুল হাদী বেলালের উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত সিদ্ধান্ত নেয় যে, আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
এরপর আদালত আলী হাসান মুন্নাকে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫(১) ধারার অধীনে দোষী সাব্যস্ত করে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ঘোষণা করে এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়। অর্থদণ্ডের ক্ষেত্রে অনাদায়ে তাকে আরও চার মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন