প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অব্যাহত উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যুদ্ধক্ষেত্রে নতুন একটি সমীকরণ তুলে ধরেছেন ইরানের শীর্ষ সামরিক কমাণ্ডার মেজর জেনারেল আলি আবদোল্লাহি। তিনি পরিষ্কার করে জানিয়েছেন, মার্কিন হামলায় নিহত প্রতিটি ইরানি বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যুর জন্য প্রতিশোধ নেওয়া হবে, এবং প্রতিটি নিহতের বদলা একজন মার্কিন সেনার মৃত্যুর মাধ্যমে নেওয়া হবে।
ইরানের সর্বোচ্চ সামরিক কমান্ড 'খাতাম আল-আম্বিয়া হেডকোয়ার্টার্স'-এর অধীনে কাজ করা এই কমাণ্ডার বলেছেন, এই নীতিটি এখন আর শুধুমাত্র একটি সতর্কবার্তা নয়, বরং এটি একটি কার্যকর সামরিক কৌশল বা 'অপারেশনাল ডকট্রিন'।
তিনি উল্লেখ করেছেন, তেহরান আগে যে নীতি নির্ধারণ করেছিল, সেটি এখন যুদ্ধক্ষেত্রে একটি আনুষ্ঠানিক নির্দেশনায় পরিণত হয়েছে। প্রতিটি নিহত ইরানি নাগরিকের পরিবর্তে প্রতিশোধ হিসেবে একজন মার্কিন সেনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে। মার্কিন বাহিনীর উদ্দেশে তিনি আরও বলেছেন, আমরা আপনাদের জন্য নরকে যাওয়ার 'ফ্রি' এবং সরাসরি টিকিট প্রস্তুত করে রেখেছি।
এটি ঘটে যখন ইরানজুড়ে মার্কিন বাহিনীর আগ্রাসন চলছে ১৩তম রাত পর্যন্ত। এসব হামলায় সেতু ও পানি বিশুদ্ধকরণ প্ল্যান্টসহ অন্যান্য বেসামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই হামলায় ৫৫ জন নিহত এবং ৬৪০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। এর জবাবে, ইরান মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
শুক্রবার, 'ইসলামিক রেভোলিউশন গার্ডস কোর' (আইআরজিসি) এবং ইরানি সেনাবাহিনী কুয়েত, জর্ডান, বাহরাইন ও ইরবিলে মার্কিন বাহিনীর অবস্থান নিয়ে পৃথক হামলার ঘোষণা দেয়। আইআরজিসি যেসব দেশে মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে, সেসব দেশের বাসিন্দাদের উপদেশ দিয়েছে যেন তারা মার্কিন বাহিনীর অবস্থানস্থল থেকে অন্তত ৫০০ মিটার দূরে চলে যান। একইসঙ্গে, তারা আরও হামলার বিষয়ে সতর্ক করেছে।
ওয়াশিংটন স্বীকার করেছে, জর্ডানের একটি সামরিক ঘাঁটিতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দুজন এবং ইরাকের একটি স্থানে আরও একজন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। তবে বিভিন্ন প্রতিবেদনে এটা দেখা যাচ্ছে যে, মার্কিন হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সরকারিভাবে ঘোষিত সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন