প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রামের পটিয়ায় এক বছরের ব্যবধানে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধরনের অবনতি ঘটেছে। গত বছর উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর পরীক্ষার্থীদের প্রায় ৭৩ শতাংশ পাস করলেও এবার পাস করেছে মাত্র ৫৫ দশমিক ৩১ শতাংশ। অর্থাৎ প্রতি ১০০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ৪৫ জনই অকৃতকার্য হয়েছে। একই সঙ্গে কমেছে জিপিএ ৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা। এক বছরের ব্যবধানে জিপিএ ৫ কমেছে ২০১টি।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি, গণিত ও ইংরেজিতে দুর্বলতা, পরীক্ষার প্রস্তুতির ঘাটতি, দুর্বল শিক্ষার্থীদের পর্যাপ্ত একাডেমিক সহায়তা না পাওয়া এবং বিদ্যালয়ভিত্তিক একাডেমিক মনিটরিংয়ের দুর্বলতা ফুল বিপর্যয়ের সম্ভাব্য কারণ হতে পারে।
এছাড়া শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কতটা কার্যকর হচ্ছে এবং নিয়মিত মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করা হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
পটিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর উপজেলার ৪৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ৫ হাজার ৭৪৮ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে পাস করেছে ৩ হাজার ১৭৯ জন। পাসের হার ৫৫ দশমিক ৩১ শতাংশ। গত বছর ৪২টি বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের পাসের হার ছিল ৭২ দশমিক ৭৩ শতাংশ, অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ১৭ দশমিক ৪২ শতাংশীয় পয়েন্ট।
জিপিএ ৫-এর সংখ্যাতেও বড় পতন হয়েছে। গত বছর পটিয়ার মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে জিপিএ ৫ পেয়েছিল ৪১০ জন, এবার পেয়েছে ২০৯ জন। অর্থাৎ এক বছরে জিপিএ ৫ কমেছে ২০১টি।
ফলাফল বিশ্লেষণে গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে। শিক্ষার এই দুটি মৌলিক বিষয়ে দুর্বলতা, নিয়মিত অনুশীলনের ঘাটতি, ইংরেজি ব্যাকরণ ও লিখিত উত্তর প্রদানে দুর্বলতা অনেক শিক্ষার্থীর ফলাফলকে প্রভাবিত করেছে বলে উল্লেখ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
শিক্ষাবিদদের মতে, এসএসসি পরীক্ষার কয়েক মাস আগে প্রস্তুতি নিয়ে গণিত ও ইংরেজির দীর্ঘদিনের ঘাটতি পূরণ করা কঠিন। এসব বিষয়ে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই ধারাবাহিকভাবে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা গড়ে তুলতে হবে।
পটিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) দিপন কান্তি দে জানান, ২০২৫ সালের তুলনায় ২০২৬ সালে পটিয়ায় এসএসসি পরীক্ষার পাসের হার ও জিপিএ ৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি, পরীক্ষার প্রস্তুতির ঘাটতি এবং দুর্বল শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় একাডেমিক সহায়তার অভাব এর অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। পাশাপাশি প্রশ্নপত্রের কাঠামো ও মূল্যায়ন পদ্ধতির পরিবর্তনের প্রভাবও বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।
তিনি জানান, ভবিষ্যতে বিষয়ভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণ করে শিখন ঘাটতি নিরসন, রেমিডিয়াল কার্যক্রম, নিয়মিত মূল্যায়ন, শিক্ষক মেন্টরিং ও একাডেমিক মনিটরিং জোরদার করা হবে।
এদিকে পটিয়ার ফল বিপর্যয় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সামগ্রিক ফলাফলের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। চলতি বছর চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ পাসের হার রয়েছে। গত বছর এ হার ছিল ৭২ দশমিক ০৭ শতাংশ। এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ১২ দশমিক ৬১ শতাংশীয় পয়েন্ট। এবার বোর্ডে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৩৯৮ জন, গত বছর পেয়েছিল ১১ হাজার ৮৪৩ জন। অর্থাৎ জিপিএ ৫ কমেছে ২ হাজার ৪৪৫টি। চলতি বছর বোর্ডে ১ লাখ ৩০ হাজার ২১৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছে ৭৭ হাজার ৪৫৩ জন।
বোর্ডের ফলাফলে ছাত্রীদের পাসের হার ৬০ দশমিক ০৩ শতাংশ এবং ছাত্রদের ৫৮ দশমিক ৭৬ শতাংশ। জিপিএ ৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রী ৫ হাজার ২৭৫ জন এবং ছাত্র ৪ হাজার ১২৩ জন।
পটিয়ার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে এবার পাসের হারে শীর্ষে রয়েছে চিটাগাং আইডিয়াল হাই স্কুল। ১০৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯৬ জন পাস করেছে, পাসের হার ৯৩ দশমিক ২০ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১০ জন। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে গৈড়লা খরনখাইন প্রাণহরি উচ্চ বিদ্যালয়। ৬২ জনের মধ্যে ৫৪ জন পাস করেছে, পাসের হার ৮৭ দশমিক ১০ শতাংশ। তৃতীয় আবদুর রহমান সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। ২৪৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২০৪ জন পাস করেছে, পাসের হার ৮২ দশমিক ২৬ শতাংশ। তবে জিপিএ ৫ পাওয়ার দিক থেকে প্রতিষ্ঠানটি উপজেলায় সবার ওপরে—৫৫ জন শিক্ষার্থী জিপিএ ৫ পেয়েছে।
এছাড়া আরো প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেমন মনসা স্কুল অ্যান্ড কলেজ (৮০ দশমিক ১৮ শতাংশ), মোজাফরাবাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (৮০ শতাংশ), আরফা করিম উচ্চ বিদ্যালয় (৭৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ), জঙ্গলখাইন উচ্চ বিদ্যালয় (৭৭ দশমিক ৪২ শতাংশ), এস আলম কলেজিয়েট স্কুল অ্যান্ড কলেজ (৭৫ দশমিক ৩০ শতাংশ), পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় (৭২ দশমিক ৩৯ শতাংশ) এবং মুকুট নাইট উচ্চ বিদ্যালয় (৭১ দশমিক ৯৫ শতাংশ)।
জিপিএ ৫ পাওয়ার হিসাবে দ্বিতীয় অবস্থানে পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়—২৪ জন, তৃতীয় এস আলম কলেজিয়েট স্কুল অ্যান্ড কলেজ—২২ জন।
অন্যদিকে, অপেক্ষাকৃত খারাপ ফল করেছে উপজেলার তিনটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। শাহ আমির উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৬৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছে ১৩ জন। পাসের হার ১৯ দশমিক ৪০ শতাংশ। বাথুয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫৮ জনের মধ্যে পাস করেছে ১৫ জন, পাসের হার ২৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ। হাইদগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৫৩ জন। পাসের হার ২৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এই তিন প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই জিপিএ ৫ পায়নি।
পটিয়ার মাদরাসাগুলোতেও এবার ফলাফলে অবনতি হয়েছে। উপজেলার ২৩টি মাদরাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় ৮৬৫ জন অংশ নিয়ে পাস করেছে ৬২৯ জন। পাসের হার ৭২ দশমিক ৭২ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ২০ জন। গত বছর দাখিলে পাসের হার ছিল ৭৯ দশমিক ০৩ শতাংশ।
দাখিলে ভালো ফল করেছে মেহেরআটি হযরত নুরুদ্দীন শাহ দাখিল মাদরাসা। প্রতিষ্ঠানটির ৩৫ জন পরীক্ষার্থীর সবাই পাস করেছে এবং জিপিএ ৫ পেয়েছে পাঁচজন। দ্বিতীয় নলান্দা গাউসিয়া বদরিয়া দাখিল মাদরাসা, পাসের হার ৯৪ দশমিক ৬৪ শতাংশ। তৃতীয় দক্ষিণ আশিয়া গাউছিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদরাসা, পাসের হার ৯০ শতাংশ।
কারিগরি শিক্ষাতেও একই চিত্র। এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষায় পটিয়া থেকে ৩৫৩ জন অংশ নিয়ে পাস করেছে ১৮৫ জন। পাসের হার ৫২ দশমিক ৪১ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে পাঁচজন। গত বছর পাসের হার ছিল ৭৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ।
পটিয়ার এক এসএসসি পরীক্ষার্থী তানজিম হোসেন বলেছেন, গণিত ও ইংরেজিতে নিয়মিত অনুশীলন না করলে শেষ মুহূর্তে ভালো ফল করা কঠিন। অনেক শিক্ষার্থী পরীক্ষার কয়েক মাস আগে থেকে পড়াশোনায় মনোযোগী হয়েছে। আগে থেকেই নিয়মিত পরীক্ষা নেওয়া হলে প্রস্তুতি আরো ভালো হতো।
আরেক শিক্ষার্থী তানিয়া আকতার মনে করেন, ক্লাসে পড়ানো হলেও অনেক সময় না বোঝা বিষয়গুলো আলাদাভাবে বুঝিয়ে দেওয়ার সুযোগ কম থাকে। দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা থাকলে ফলাফল আরও ভালো হতে পারত।
অভিভাবকেরা বলেছেন, শুধু এসএসসি পরীক্ষার আগে ভালো ফলের জন্য চাপ দিলেই হবে না। ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণি থেকেই কোন শিক্ষার্থী কোন বিষয়ে দুর্বল, তা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষক, অভিভাবক ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা প্রয়োজন।
পটিয়ার অন্যতম প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ফলাফল নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা চলছে। ফল প্রকাশের পর সাবেক শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আলমগীর বাবু হতাশা প্রকাশ করে শিক্ষকদের জবাবদিহির আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। হাবিবুল্লাহ বাবুল নামে একজন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মানোন্নয়ন পরীক্ষার দাবি জানিয়েছেন।
পটিয়ার ফল বিপর্যয়ের পর প্রশ্ন উঠেছে—দায়টা আসলে কার? শিক্ষার্থীদের অনিয়মিত পড়াশোনা, অভিভাবকের নজরদারির ঘাটতি, শিক্ষকদের পাঠদানের দুর্বলতা, নাকি পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার মূল্যায়ন ও একাডেমিক মনিটরিংয়ের ঘাটতি?
মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রামের সাবেক চেয়ারম্যান শিক্ষাবিদ প্রফেসর আবু জাফর চৌধুরী জানিয়েছেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ফলাফল বিপর্যয় বেশি হয়েছে। পটিয়ায় কয়েকটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেরও ফল খারাপ হয়েছে। মানসম্মত শিক্ষক নিয়োগ, পর্যাপ্ত বেতন, নিরপেক্ষ নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং যোগ্য গভর্নিং বডি নিশ্চিত করা জরুরি।
তিনি আরো বলেন, শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষক নিয়োগে গভর্নিং বডি কিংবা রাজনৈতিক ব্যক্তিদের প্রভাব থাকলে যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ বাধাগ্রস্ত হয়। প্রধান শিক্ষককে স্বাধীনভাবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনার সুযোগ দিতে হবে। পটিয়ার সরকারি আবদুর রহমান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও এস আলম কলেজিয়েট স্কুল অ্যান্ড কলেজের ফলাফল থেকে দেখা যায়, সুশৃঙ্খল পরিচালনা ও শিক্ষক নিয়োগে গুরুত্ব দিলে দ্রুত উন্নতি করা সম্ভব।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, একটি কারণ দিয়ে এবারের ফল বিপর্যয় ব্যাখ্যা করা যাবে না। শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতির পাশাপাশি পাঠদান পদ্ধতি, নিয়মিত মূল্যায়ন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত, অভিভাবকের সম্পৃক্ততা এবং দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়তার বিষয়গুলোও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
তাঁদের মতে, প্রতিটি বিদ্যালয়ে বিষয়ভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণ করে কোন বিষয়ে কতজন ফেল করেছে, কেন ফেল করেছে, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কেমন ছিল, কতগুলো পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে এবং দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য কী ব্যবস্থা ছিল—এসব তথ্যের ভিত্তিতে বিদ্যালয়ভিত্তিক একাডেমিক অডিট করা যেতে পারে। গণিত ও ইংরেজিতে বিশেষ ক্লাস, নিয়মিত মডেল টেস্ট, রেমিডিয়াল ক্লাস, শিক্ষক মেন্টরিং ও মাসিক একাডেমিক মনিটরিং চালু করা গেলে পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব।
এবার পটিয়ায় নয়টি কেন্দ্রে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ৬ হাজার ৮২৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে এসএসসি ৫ হাজার ৬৮৫ জন, দাখিল ৮৩৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ৩০৬ জন।
বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর ফলাফলে এবারের এই পতন তাই শুধু একটি পরীক্ষার ফল নয়; এটি পটিয়ার মাধ্যমিক শিক্ষাব্যবস্থার জন্য একটি সতর্ক সংকেত। এখন ফলাফল বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও প্রশাসন কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেটিই দেখার বিষয়। কারণ, জিপিএ ৫ কমে যাওয়া শুধুমাত্র একটি পরিসংখ্যান নয়; একজন শিক্ষার্থীর অকৃতকার্যতার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে একটি পরিবারের প্রত্যাশা, সময়, শ্রম ও ভবিষ্যতের হিসাব। পটিয়ার এই ফলাফল শিক্ষার মান, পাঠদান পদ্ধতি ও একাডেমিক নজরদারি নিয়ে নতুন করে ভাবার তাগিদ দিচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন