প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
একদিনে দুবার জোড়া ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া। ভোরে ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূকম্পনের পর একই দিনে ফের ৬.৯ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপে এখনো অনেকে আটকে আছেন। এরই মধ্যে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮ জনে দাঁড়িয়েছে।
প্রথম ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটেছে পূর্বঞ্চলীয় ফ্লোরেস দ্বীপে। উদ্ধার কর্মকর্তা ফাথুর রহমান জানান, দ্বীপের চারটি শহরে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। প্রতিবেশী মাংগারাই অঞ্চলেও ধ্বংসস্তূপের নিচে দুজন জীবিত আটকে আছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ছয়জন। এখন মূল লক্ষ্য চাপা পড়া ব্যক্তিদের জীবিত উদ্ধার করা। তবে ভূমিধসে কয়েকটি সড়ক বন্ধ থাকায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে।
ভূমিকম্পের পর সুনামির আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। উৎপত্তিস্থলের কাছের এলাকা নাগেকেওর বাসিন্দারা সমুদ্রের পানি সরে যেতে দেখে দ্রুত উঁচু স্থানে আশ্রয় নেন। পরে আবহাওয়া সংস্থা (বিএমকেজি) সুনামির সতর্কতা তুলে নেয়। তবে আফটারশকের কারণে কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে ফিরতে নিষেধ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ৬.১ মাত্রার আফটারশকসহ ডজনখানেক কম্পন রেকর্ড করা হয়েছে।
ভোরের ঝাঁকুনি বেশ বড় ছিল বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দা ইয়োহানেস বাবো। আরেক বাসিন্দা লুকাস লোতার জানান, আতঙ্কে হাসপাতালের রোগীরা বাইরে বেরিয়ে আসেন। তিনি ভবনের দেয়ালে ফাটলও দেখতে পান। ওই এলাকাগুলোতে মূলত ছোট শহর ও গ্রাম থাকায় বহুতল ভবন তেমন নেই।
ভূমিকম্পপ্রবণ ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে থাকায় দেশটিতে প্রায়ই এমন দুর্যোগ ঘটে। ১৯৯২ সালে এই ফ্লোরসেই ভূমিকম্প ও সুনামিতে আড়াই হাজার মানুষ মারা যান। আর ২০০৪ সালের ভারত মহাসাগরের সুনামিতে দেশটিতে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন