প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজনৈতিক দল হিসেবে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিচার হবে কি হবে না, সেই বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা তদন্ত করছে এমনটি জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
রবিবার দিনটির দুপুরে, নিজ কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে তিনি এই তথ্য জানান।
চিফ প্রসিকিউটর আরো বলেন, সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার হবে কিনা, সেই বিষয়ে সংস্থা তদন্ত করছে। তদন্ত শেষে যদি সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে প্রাথমিক অভিযোগ পাওয়া যায় এবং রিপোর্ট আমার কাছে দাখিল করা হয়, তাহলে আমি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে রিপোর্ট পর্যালোচনা সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ পাব। আপাতত, এ বিষয়ক আমাদের তদন্ত চলমান রয়েছে।
আওয়ামী লীগের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ২০০৯ সালের পর ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশে একটি ফ্যাসিজম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে। এই ফ্যাসিজমের মাধ্যমে জনগণের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, সবকিছুই কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। দেশের সব প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল। রাজনৈতিক দল হিসেবে ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা রাজত্ব কায়েম করেছিলেন। ১৬ বছরের জন্য মানুষের স্বাভাবিক জীবনব্যবস্থা ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা অচল হয়ে গিয়েছিল।
মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, তিনটি নির্বাচনের কোনোটিই রাতের, কোনোটিই একদলীয় এবং কখনো-বা ডামি নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে। সবচেয়ে বড় হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়েছিল ২৪ জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানকালে। নির্বিচারে ছাত্র-জনতার উপর তাদের সরকারের বিভিন্ন বাহিনীকে লেলিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন