প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ বা টানা আলোচনা, কোনোটিই ইরান চায় না। তবে ওয়াশিংটন তাদের দাবি মেনে না নিলে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান।
এই ঘোষণা বুধবার ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ প্রদান করেন। আল জাজিরা জানায়, ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফার্সের বরাতে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
বাঘের গালিবাফ উল্লেখ করেন, যুদ্ধক্ষেত্রে অর্জিত সাফল্যকে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সুসংহত করার প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি বলেন, “যখনই আমরা যুদ্ধক্ষেত্রে বিজয় অর্জন করব, তখন রাজনৈতিক অঙ্গনেও সেই বিজয়ের ভিত্তি সুদৃঢ় করতে হবে।”
স্পিকার গালিবাফ আরও বলেন, “এর অর্থ অন্তহীন যুদ্ধ ও দীর্ঘস্থায়ী আলোচনা নয়। আমরা শত্রুকে ক্লান্ত করে তুলতে লড়াই করি, যাতে তারা আমাদের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয়।”
এদিকে, হরমুজ প্রণালির কাছে দুটি জাহাজ ডুবে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একটি জাহাজে প্রজেক্টাইল বা ক্ষেপণাস্ত্র সদৃশ কোনো বস্তু আঘাত হানে। অন্য জাহাজটি সমুদ্রের মাইন দ্বারা আঘাত পেয়ে ডুবে যায় বলে জানা গেছে। ওই অঞ্চলে অব্যাহত হামলার কারণে জাহাজ চলাচলের গতি কমে এসেছে, ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে।
যদিও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ “খুব শিগগিরই” শেষ হবে। তিনি জানান, হরমুজ প্রণালির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের “পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ” রয়েছে এবং ইরান তাদের নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, রাডার ব্যবস্থা ও আকাশ প্রতিরক্ষা হারিয়েছে।
অ্যারিজোনার বুলহেড সিটিতে এক সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, “ইরানের প্রথম সারির নেতারা চলে গেছেন। তারা দ্বিতীয় সারির নেতাদের বেছে নিয়েছিল। তাদেরও অনেকে চলে গেছেন। এরপর তৃতীয় সারির নেতাদের বেছে নেওয়া হয়েছে। তাদের অর্ধেকও চলে গেছেন। তারা আমাকে আর কাউকে হত্যা না করার প্রতিশ্রুতি দিতে বলেছিল। আমি প্রতিশ্রুতি দিয়েছি।”
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন