প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ব্যালন ডি’অরের ‘বোট’ ভোট নিয়ে সমর্থকদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। ফ্রান্স ফুটবল এবার বিষয়টি পরিষ্কার করেছে। তারা জানিয়েছে, এটি ঐতিহাসিক সুপার ব্যালন ডি’অরকে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নয়। এই ভোটের বিজয়ী কোনো ট্রফি পাবেন না।
‘বোট’ শব্দের অর্থ ‘ব্যালন ডি’অর অব অল টাইম’। ব্যালন ডি’অরের ৭০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই ভোটের সূচনা হয়েছে। এ বছরের মূল অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে সোমবার, ২৬ অক্টোবর। ভোটের সময়সীমা শুরু হওয়ার কারণে বিভ্রান্তি আরও বেড়েছে।
এই ভোটে সমর্থকেরা সেরা ব্যক্তিগত মৌসুম নির্বাচন করছেন। বিবেচনায় আছেন ১০ জন, যারা ব্যালন ডি’অর একাধিকবার জিতেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন লিওনেল মেসি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, ব্রাজিলের রোনালদো, মার্কো ফন বাস্তেন, মিশেল প্লাতিনি, কার্ল-হাইনৎস রুমেনিগে, কেভিন কিগান, ফ্রাঞ্জ বেকেনবাউয়ার, ইয়োহান ক্রুইফ ও আলফ্রেডো দি স্তেফানো।
এখানে খেলোয়াড়ের পুরো ক্যারিয়ার বা ব্যালন ডি’অরের সংখ্যা বিবেচনা করা হচ্ছে না। বরং, একেকটি মৌসুমের পারফরম্যান্সের মধ্যে তুলনা করা হচ্ছে। প্রতিটি ভোটের জন্য এক ইউরো দিতে হয় এবং ভোট দেওয়ার জন্য কোনো সীমা নেই।
সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠেছিল। এর জবাবে ফ্রান্স ফুটবল জানায়, এই উদ্যোগ নতুন কোনো অফিশিয়াল সম্মান চালুর উদ্দেশ্যে নয়। এর মূল উদ্দেশ্য হল সমর্থকদের ভালোবাসাকে উদ্যাপন করা।
সংস্থাটি বলেছে, ‘বোট পুরোপুরি জনগণের ভোট। এটি আমাদের সমর্থকদের আবেগ উদ্যাপনের জন্য তৈরি। এটি কোনো বাস্তব ট্রফি নয়, আমাদের অনুষ্ঠানে দেওয়া কোনো অফিশিয়াল পুরস্কারও নয়। সমর্থকদের বেছে নেওয়া চূড়ান্ত ফল ২৮ অক্টোবর ঘোষণা করা হবে।’
ফ্রান্স ফুটবল আরও বলেছে, এই ভোটকে সুপার ব্যালন ডি’অরের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়। সুপার ব্যালন ডি’অর একটি বিশেষ সম্মান ছিল। এটি শুধুমাত্র একবার, ১৯৮৯ সালের ডিসেম্বরে দেওয়া হয়েছিল। আগের তিন দশকে ব্যালন ডি’অর একাধিকবার জেতাদের মধ্যে সেরা কে, সেটি বেছে নেওয়ার লক্ষ্য ছিল।
সেবার সম্মানটি পান রিয়াল মাদ্রিদের কিংবদন্তি ফরোয়ার্ড দি স্তেফানো। তিনি ক্রুইফ ও প্লাতিনির মতো মহাতারকাদের পেছনে ফেলেছিলেন। এরপর পুরস্কারটি আর দেওয়া হয়নি। নতুন কোনো আসরের তারিখও নির্ধারণ করা হয়নি।
এদিকে চলমান ‘বোট’ ভোটে রোনালদোর ২০০৮ সালের মৌসুম এগিয়ে রয়েছে। ওই বছর তিনি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে খেলেছিলেন। বর্তমানে তার ভোটের সংখ্যা ৭৫ শতাংশ। মেসির ২০১২ ও ২০১৩ সালের মৌসুম রয়েছে পেছনে, যার ভোট নয় শতাংশ করে।
ফ্রান্স ফুটবল এই ব্যাখ্যা দিয়েছে যাতে সমর্থকদের এই ভোট কোনো অফিশিয়াল ঐতিহাসিক পুরস্কার বলে ভুল না হয়। এখানে সমর্থকেরা তাদের প্রিয় মৌসুম বেছে নিতে পারছেন, এটুকুই। তবে এটি সুপার ব্যালন ডি’অর গোছের কিছু নয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন