প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানী ঢাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং দেশের ইতিহাসে এটি গত ১৭ বছরের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে ২০০৯ সালে একদিনে সর্বোচ্চ ৩৩৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে।
ইউনিসফ কর্তৃক উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে, আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক জানিয়েছেন, বাংলাদেশের ওপর মৌসুমি বায়ু সক্রিয় রয়েছে, যার ফলে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা বৃষ্টিপাত চলমান। তিনি আরও বলেন, বর্ষাকালে এমন বৃষ্টিপাত সাধারণ হলেও বর্তমানের এই তীব্রতা তুলনামূলকভাবে বেশি।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাতের মধ্যে চট্টগ্রামে ১৬০ মিলিমিটার, আমবাগানে ১৪০ মিলিমিটার, কক্সবাজারে ১১৩ মিলিমিটার এবং ফরিদপুরে ১১১ মিলিমিটার রেকর্ড করা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষত রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে অতি ভারি বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।
১৩ জুলাইয়ের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগের অধিকাংশ স্থানে এবং ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এই সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণের আশঙ্কা ব্যক্ত করা হয়েছে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
১৪ জুলাই রংপুর ও রাজশাহী এলাকার অনেক স্থানে এবং দেশের অন্যান্য বিভাগের কিছু স্থানে বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ দিন রংপুর ও রাজশাহীতে কোথাও কোথাও ভারি বর্ষণ হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
এছাড়া ১৫ ও ১৬ জুলাই খুলনা, বরিশাল এবং চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক স্থানে এবং দেশের অন্যান্য অঞ্চলের কিছু কিছু এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এসব বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। এই সময় দিনে এবং রাতে তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
এদিকে, টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রাম অঞ্চলের অবস্থা উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় বন্যা ও পাহাড়ধসে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৫১ জনে পৌঁছেছে। এর মধ্যে কক্সবাজারে ২৮ জন, চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন, রাঙ্গামাটিতে ৩ জন এবং মৌলভীবাজারে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর পাশাপাশি আহত হয়েছেন অন্তত ৩৯ জন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন