প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বরিশালে বেসরকারি হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসক ও মৃতের স্বজনদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন।
বরিশাল নগরীর বাজার রোডের কেএমসি হাসপাতাল (ক্লিনিক) নামে পরিচিত প্রতিষ্ঠানে বুধবার (১০ জুন) বিকেল ৪টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
মৃত রোগী মনির খান (৩৮) বাবুগঞ্জ উপজেলার উত্তর বাহেরচর গ্রামের মৃত আব্দুল হক খানের ছেলে।
মৃতের স্বজনরা অভিযোগ করেছেন, মনির খানকে হৃদরোগে আক্রান্ত অবস্থায় বুধবার দুপুরে কেএমসি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকদের অবহেলার কারণে মনিরের মৃত্যু হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন। ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্বজনরা প্রতিবাদ জানালে চিকিৎসক ও হাসপাতালের কর্মচারীরা স্বজনদের ওপর হামলা চালান। তবে স্বজনদের প্রতিরোধের মুখে হামলাকারীরা পিছু হটেন। এর পর স্বজনরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, মনির খানের মৃত্যুর কারণে তার স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। চিকিৎসকদের সঙ্গে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনার সৃষ্টি হয়। এতে হাসপাতাল এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন।
মৃতের স্বজন আলমগীর হোসেন স্বপন জানিয়েছেন, তিনি শুরুতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। কিন্তু স্বজনদের সঙ্গে কথা বলার পর জানা গেছে, গুরুতর অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে গেলেও চিকিৎসকরা যথাযথ গুরুত্ব দেননি। এমনকি রোগীর মৃত্যু হয়েছে, এমন তথ্যও জানানো হয়নি। প্রতিবাদ করায় স্বজনদের ওপর চিকিৎসক ও কর্মচারীরা হামলা করেছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।
এ বিষয়ে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শুভেন্দু হালদার শিবু জানিয়েছেন, 'চিকিৎসায় কোনো কমতি রাখা হয়নি। তবে রোগীর অবস্থা অনেকটা ক্রিটিক্যাল ছিলো।'
এদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম জানিয়েছেন, 'কেএমসি হাসপাতালে ঝামলার খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে যায়। পরে পুলিশ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে দুই পক্ষ ভুল স্বীকার করলে সমঝোতা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন