প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, সরকার গঠনের ১০০ দিনের মধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন, মানবাধিকার কমিশন ও তথ্য কমিশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কমিশন গঠনের জন্য দৃশ্যমান উদ্যোগ না নেয়া সত্যিই উদ্বেগজনক।
তিনি রোববার (৭ জুন) টিআইবি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিচার বিভাগ স্বাধীন না হওয়ার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
সরকারের ১০০ দিনের কার্যক্রম একদিকে আশা জাগানিয়া এবং সম্ভাবনাময়, কিন্তু অন্যদিকে সুশাসন, দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং বিশেষ করে জবাবদিহিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা পূরণে সুনির্দিষ্ট পথরেখার ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগজনক একটি পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
এভাবেই বিএনপি সরকারের ১০০ দিনের কার্যক্রম পর্যালোচনা করে বিশ্লেষণ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-টিআইবি।
সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক সরকারের নানা সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
তিনি বারবার দুদক কমিশন, মানবাধিকার কমিশন ও তথ্য কমিশন না থাকার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
ইফতেখারুজ্জামান বলেন, "দুদকের ক্ষেত্রে সরকার আত্মঘাতী অবস্থান নিয়েছে। কমিশন থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।" তিনি আরও বলেন, "তিন মাসেও কমিশন গঠন না হওয়া অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ও বিব্রতকর। কমিশনের এখতিয়ার সচিবকে দেয়া প্রতিহত করতে হবে।"
তিনি দলীয় পরিচয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পাওয়ার বিষয়টিতেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তার বক্তব্যে বিচার বিভাগ স্বাধীন না হওয়ার আক্ষেপের কথাও উঠে আসে।
সরকার গঠনের পর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, মব সংস্কৃতির বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা ঘোষণা এবং চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিলেও এসব পরিস্থিতি থামাতে সরকারের সমালোচনা করেন তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, "অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টাদের কয়েকজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার বিষয়ে দুদকের ভূমিকা রাখা উচিত। কেউই জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে নয়।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন