প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অল নেপাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (আনফা) সদস্যপদ স্থগিত করেছে ফিফা, ফুটবল পরিচালনায় সরকারি অথবা তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপের অভিযোগের কারণে। ফিফা গতকাল বুধবার (২৪ জুন) ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা হিসেবে এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছে।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি সদস্য সংস্থাকে বাহ্যিক শক্তি কিংবা সরকারি হস্তক্ষেপ ছাড়া স্বাধীনভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়। কিন্তু আনফা এই শর্ত রক্ষায় ব্যর্থ হওয়ায় তাদের ওপর এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
ফিফা আনফার সাধারণ সম্পাদক কিরণ রাইকে প্রেরিত একটি আনুষ্ঠানিক মেইলে জানিয়েছে, গঠনতন্ত্রের ১৩, ১৪ ও ১৬ নম্বর অনুচ্ছেদ লঙ্ঘনের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নেপালের জাতীয় ক্রীড়া কাউন্সিল গত ২০২৬ সালের মার্চ মাসে একটি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মাঝপথেই আনফার নির্বাচিত নেতৃত্বকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে। যদিও মে মাসে ওই বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছিল, তবুও জেলা পর্যায়ের নতুন নির্বাচন এবং গঠনতন্ত্র সংশোধনে সরকারি নির্দেশাবলী আগের মতোই বলবৎ ছিল। ফিফা এবং এএফসি একাধিক সময়সীমা নির্ধারণ করলেও ১১ জুনের ডেডলাইনের মধ্যে সন্তোষজনক কোনো জবাব দিতে পারেনি নেপাল। এর ফলস্বরূপ ফিফা কাউন্সিল ব্যুরো এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।
এই নিষেধাজ্ঞার ফলে নেপালের পুরুষ, নারী এবং অনূর্ধ্ব দলগুলো কোনো অফিশিয়াল ম্যাচ বা প্রীতি ম্যাচ খেলার অনুমতি পাবে না। পাশাপাশি দেশের ক্লাবগুলোও এএফসি কাপ বা যেকোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। এছাড়া, ফিফা ও এএফসির সব ধরনের উন্নয়ন অনুদান, তহবিল, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং কোচেস ও রেফারি কোর্সসমূহ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
নেপালের ফুটবলের ইতিহাসে আনফাকে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার ঘটনা এটাই প্রথম। এর আগে, ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে তহবিল তছরুপ ও অনিয়মের অভিযোগে আনফার আর্থিক নিয়ন্ত্রণ অথবা ফান্ড ফ্রিজ করেছিল ফিফা, কিন্তু তখন সদস্যপদ সচল ছিল। তবে ২০১৫ সালে আনফার সাবেক সভাপতি গণেশ থাপাকে দুর্নীতির জন্য ব্যক্তিগতভাবে নিষিদ্ধ করা হলেও অ্যাসোসিয়েশন তখনও সচল থাকতে পেরেছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন