প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকার পাঁচবারের এমপি ও আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা এ কে এম রহমতুল্লাহ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এ রাজনীতিবিদ বুধবার (৩ জুন) ভোরের পৌনে ৪টার দিকে মৃত্যুবরণ করেন; তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।
বীর মুক্তিযোদ্ধা রহমতুল্লাহ আমৃত্যু আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন। ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে তিনি ছিলেন প্রভাবশালী একজন নাম।
স্কয়ার হাসপাতালের কাস্টমার সার্ভিসে ফোন করলে মিজানুর নামে একজন জানান, ভোরে এ কে এম রহমতুল্লাহ মারা গেছেন। সকালেই পরিবারের সদস্যরা হাসপাতাল থেকে তার মরদেহ নিয়ে গেছেন।
রহমতুল্লাহর ভাগ্নে ফারুক হোসাইন বলেন, তিনি রাত ৩টা ৪৫ মিনিটে মারা যান। খবর পাওয়ার পর হাসপাতালে जाकर মরদেহ বাড্ডার বেরাইদের নিজের বাসভবনে আনা হয়েছে।
বুধবার বিকেল ৪টায় রেরাইদ মাঠে জানাজার পর বেরাইদ কবরস্থানে রহমতুল্লাহকে দাফন করা হবে বলে জানান ফারুক।
ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে থাকাকালীন রহমতুল্লাহ জনপ্রতिनिधি হিসেবে সংসদে গেছেন মোট পাঁচবার। ১৯৮৬ সালের তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সম্মিলিত বিরোধী দলের হয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তিনি তৎকালীন ঢাকা-৫ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৯৬ সালে সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি এমপি হন তৎকালীন ঢাকা-৫ আসন থেকে। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে ঢাকা-১০ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন রহমতুল্লাহ। ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১১ আসন থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
এরপর ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-১১ আসন থেকে নির্বাচিত হন তিনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন