প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আধুনিক ফুটবলের অন্যতম তারা নেইমার জুনিয়র মাঠের বাইরের বিভিন্ন আলোচনা-সমালোচনা এবং প্রশ্নবাণের মুখে প্রায়শই পড়েন। তবে সমালোচকদের কথায় তিনি কান না দিয়ে বরাবরই তার জাদুকরী পারফরম্যান্সের মাধ্যমে মাঠে উপযুক্ত জবাব দিয়ে আসছেন। ঠিক তেমনি এক ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটেছে, যেখানে এই ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার তার দুর্দান্ত নৈপুণ্যে সব সমালোচনার দাঁতভাঙা জবাব দিয়েছেন।
সাম্প্রতিক সময়ে চলা পারফরম্যান্স ও ফিটনেস নিয়ে বিভিন্ন গুঞ্জন এবং সমালোচনার মাঝেই নেইমার মাঠে নেমেছিলেন। কিন্তু সব বিতর্ককে পেছনে ফেলে তিনি প্রমাণ করেছেন, "ক্লাস ইজ পার্মানেন্ট"। ম্যাচে নিজের নামের প্রতি সুবিচার করে তিনি উপহার দিয়েছেন একটি দুর্দান্ত ও দৃষ্টিনন্দন পারফরম্যান্স। গোল করার চেয়ে দলের জয় নিশ্চিত করতে গোল বানিয়ে দেয়ার তথা অ্যাসিস্টের ক্ষেত্রে তার ভূমিকা ছিল অনন্য। ম্যাচে তিনি জোড়া অ্যাসিস্ট (দুটি গোল বানিয়ে দেওয়া) করে দলের জয় নিশ্চিত করার পথে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেন।
ম্যাচের শুরু থেকেই নেইমারের পায়ে বল মানে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে আতঙ্ক। তার ক্ষিপ্রগতি, সুনিপুণ ড্রিবলিং এবং নিখুঁত পাসিংয়ের সুবাদে একের পর এক সুযোগ তৈরি করতে থাকে তার দল। প্রথমার্ধ থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত তার বুদ্ধিমত্তা ও পজিশনিং দলের আক্রমণভাগকে সচল রেখেছিল। তার চমৎকার দুটি অ্যাসিস্ট শুধু দলের জয়ই নিশ্চিত করেনি; বরং মাঠের খেলায় তার কার্যকারিতাও নতুন করে প্রমাণ করেছে।
ম্যাচ শেষে ফুটবল বিশ্লেষক এবং সমর্থকরা এক বাক্যে স্বীকার করেন, "সমালোচকদের জন্য এর চেয়ে বড় এবং কার্যকর জবাব আর হতে পারে না।" নেইমার আবার প্রমাণ করেছেন, যত কথাই হোক না কেন, খেলার মাঠে তার জাত চেনাতে তিনি একাই একশ। এই জোড়া অ্যাসিস্ট কেবল একটি দলের জয়ই এনে দেয়নি; বরং তার সমালোচকদের মুখেও চিরতরে কুলুপ এঁটে দিয়েছে। ফুটবলপ্রেমীরা আশা করছেন, নেইমার তার এই ফর্ম অব্যাহত রেখে সামনে আরও অনেক স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দেবেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন