প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফ্রান্সের বিপক্ষে কেন নরওয়ে দ্বিতীয় সারির দলে খেলেছে, এই প্রশ্ন উঠেছে। জবাবে বলা যায়, নরওয়ের কোচ স্তল সোলবাকেনকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রল করা হচ্ছে।
এটি বলা হয়েছে, ‘জীবনে নরওয়ের কোচের মতো আত্মবিশ্বাস দরকার। তিনি ফ্রান্সের বিপক্ষে ‘বি’ দল নামিয়েছেন।’
ভক্তেরা কিলিয়ান এমবাপ্পে বনাম আর্লিং হালান্ড এবং উসমান দেম্বেলে বনাম মার্টিন ওডেগার্ডের লড়াই দেখার অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু সোলবাকেন তাঁদের আশায় জল ঢেলে দিয়েছেন। তিনি বোস্টনে ফ্রান্সের বিপক্ষে গতকাল রাতের খেলায় নরওয়ের দ্বিতীয় সারির দলকে খেলিয়েছেন।
নরওয়ে ম্যাচে হালান্ড, ওডেগার্ড, সরলথ, নিলান্ডসহ ১০ পরিবর্তন নিয়ে নেমেছিল। ফলাফলে ফ্রান্স দেম্বেলের হ্যাটট্রিকে নরওয়েকে ৪-১ গোলে পরাজিত করেছে।
ম্যাচের সময় ফ্রান্সের বিপক্ষে নরওয়ের শীর্ষ ১০ ফুটবলার উপস্থিত ছিলেন না। এরপর দেখা যায়, ফ্রান্স ‘আই’ গ্রুপ থেকে টানা তিন জয়ে শীর্ষে থেকে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠেছে। নরওয়ে গ্রুপের রানার্সআপ হয়েছে।
এখন প্রশ্ন হলো, সোলবাকেন কেন এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের বিশ্রাম দিয়েছেন, যদিও গ্রুপসেরা হয়ে পরের রাউন্ডে ওঠার সুযোগ ছিল?
এর তিনটি কারণ রয়েছে— [১] আগেই নকআউট পর্ব নিশ্চিত হওয়া: ইরাক ও সেনেগালকে হারিয়ে নরওয়ে আগেই রাউন্ড অব ৩২ পর্বে উঠে গেছে বলে হালান্ড-ওডেগার্ড-সরলথদের বিশ্রামে রেখেছে।
[২] তারকাদের ক্লান্তি ও চোট থেকে রক্ষা: সামনের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের জন্য হালান্ড-ওডেগার্ড-সরলথদের চোটের ঝুঁকি থেকে দূরে রাখতে চান সোলবাকেন। এ ছাড়া, হালান্ডদের আরো কিছু দিন বিশ্রাম দিলে তারা রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে পুরোপুরি চাঙা হয়ে খেলতে পারবেন।
[৩] সহজ প্রতিপক্ষ বেছে নেওয়ার কৌশল: নকআউট পর্বের শুরুতে কঠিন প্রতিপক্ষ এড়িয়ে যাওয়ার জন্য এমনটি করেছেন নরওয়ে। ‘আই’ গ্রুপে রানার্সআপ হওয়ায় তারা অপেক্ষাকৃত দুর্বল দল আইভরি কোস্টকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছে।
অন্যদিকে, ফ্রান্স গ্রুপসেরা হয়ে পেয়েছে সুইডেনকে। তবে ফিফা র্যাংকিং অনুযায়ী, সুইডেন (৩৬) বর্তমানে আইভরি কোস্ট (৩০) থেকে ছয় ধাপ পেছনে রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন