প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বজুড়ে সেমিকন্ডাক্টর ও সৌর প্যানেল শিল্পে চীনের ক্রমবর্ধমান আধিপত্য রুখতে, এবার নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে জাতীয় সুরক্ষার ওপর পরিচালিত এক বিশেষ তদন্তের ওপর ভিত্তি করে মার্কিন প্রশাসন এই নির্বাহী আদেশটি জারি করেছে। পলিসিলিকন এবং এসংক্রান্ত আমদানিকৃত পণ্যের ওপর ১৫ শতাংশ শুল্ক বসানোর পাশাপাশি এসব পণ্যের জন্য সর্বনিম্ন আমদানি মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।
ওয়াশিংটন ঘোষণা করেছে যে, আগামী ডিসেম্বর মাস থেকে নতুন এই শুল্ক কার্যকর হতে যাচ্ছে। এই পদক্ষেপটি তখনই সামনে এসেছে, যখন দুই পরাশক্তির মধ্যে চিপ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের লড়াই তুঙ্গে রয়েছে। পাশাপাশি, মার্কিন প্রস্তুতকারকদের অভ্যন্তরীণ পলিসিলিকন উৎপাদন বাড়াতে বিভিন্ন প্রণোদনা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিযোগ করছেন যে, বিগত কয়েক দশক ধরে বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর আগ্রাসী নীতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব পলিসিলিকন উৎপাদন চরম হুমকির মুখে পড়েছে। সামরিক সরঞ্জাম ও ইলেকট্রনিক্স খাতের এই অতীব জরুরি কাঁচামালের মার্কিন বাজারে অংশীদারিত্ব ২০০৫ সালের ৫০ শতাংশ থেকে কমে ২০২৪ সালে এসে দুই শতাংশেরও নিচে নেমে গেছে।
বর্তমানে, বিশ্বের পলিসিলিকন উৎপাদনের প্রায় একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ রয়েছে চীনের হাতে। নতুন এই নীতির সূচনা হলে হ্যামলক সেমিকন্ডাক্টর ও ওয়াকার কেমির মতো মার্কিন পলিসিলিকন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সুবিধা পাবে, এমন ধারণা করা হচ্ছে।
তবে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ওয়াশিংটনে অবস্থিত চীনা দূতাবাস। বেইজিং এক বিবৃতিতে এই পদক্ষেপকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হিসেবে অভিহিত করেছে। সেই সঙ্গে নিজেদের প্রযুক্তি বাণিজ্য রক্ষা করতে কড়া প্রতিক্রিয়া জানানোর হুঁশিয়ারিও তারা দিয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন