প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
একটি অভিযোগের পর, একজন ব্যবহারকারীর শিশু যৌন নিপীড়নমূলক কনটেন্ট শেয়ার করার প্রেক্ষিতে, বৈশ্বিক যোগাযোগের প্ল্যাটফর্ম টেলিগ্রামকে সাময়িকভাবে অ্যাপ স্টোর থেকে সরিয়ে দেয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল। পরে, আপত্তিকর কনটেন্ট মুছে ফেলা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবহারকারীকে নিষিদ্ধ করার পর, অ্যাপটি আবারও অ্যাপ স্টোরে ফিরে আসে।
একই দিনে অ্যাপটি অ্যাপ স্টোর থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং পুনরায় চালু করা হয়। অ্যাপলের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, নিয়মিত পর্যালোচনার সময় প্ল্যাটফর্মটিতে শিশু যৌন নিপীড়নমূলক কনটেন্ট প্রতিরোধ নীতির লঙ্ঘন শনাক্ত হয়। এরপর, প্রতিষ্ঠানটির নীতিমালা অনুযায়ী, অ্যাপটি সাময়িকভাবে সরানো হয়। শীঘ্রই টেলিগ্রাম আপত্তিকর কনটেন্ট অপসারণ এবং দায়ী ব্যবহারকারীকে নিষিদ্ধ করলে অ্যাপটির প্রবেশাধিকার পুনর্বহাল করা হয়।
বিশ্বজুড়ে ১০০ কোটির বেশি সক্রিয় ব্যবহারকারী রয়েছে, টেলিগ্রাম এক বিবৃতিতে বলেছে, শিশু যৌন নির্যাতনমূলক কনটেন্টের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। চলতি বছর, এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় ৩ লাখ ৩৮ হাজার গ্রুপ ও চ্যানেল বন্ধ করেছে বলেও জানায় প্রতিষ্ঠানটি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে, টেলিগ্রাম প্রশ্ন তোলে, অ্যাপ স্টোরের অন্যান্য অ্যাপের ক্ষেত্রেও ভবিষ্যতে একই কঠোর নীতি সমানভাবে প্রয়োগ করা হবে কি না।
এদিকে, অ্যাপলের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সমালোচনা করেছেন অনলাইন গেম ফোর্টনাইটের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এপিক গেমসের প্রধান নির্বাহী টিম সুইনি। তিনি বলেন, এক বিলিয়ন ব্যবহারকারীর মধ্যে একজনের বেআইনি কর্মকাণ্ডের কারণে পুরো অ্যাপটি সরিয়ে দেওয়া হলে, আইমেসেজসহ অন্যান্য যোগাযোগমাধ্যম কীভাবে পরিচালিত হবে, সেটাই প্রশ্ন।
এর আগে, ২০১৮ সালে টেলিগ্রামকে একই ধরনের ঘটনার প্রেক্ষিতে সাময়িকভাবে অ্যাপ স্টোর থেকে সরিয়ে দিয়েছিল অ্যাপল। সাম্প্রতিক সময়ে, টেলিগ্রামের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং অবৈধ কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে চাপ বেড়েছে। গত এপ্রিলে, যুক্তরাজ্যের টেলিকম নিয়ন্ত্রক সংস্থা অবকম শিশু যৌন নিপীড়নমূলক কনটেন্ট ছড়ানোর অভিযোগে তদন্ত শুরু করে টেলিগ্রামের বিরুদ্ধে। এছাড়া, গত ফেব্রুয়ারিতে প্রশাসনিক প্রশ্নের জবাব দিতে বিলম্ব করায় অস্ট্রেলিয়া সরকারও প্রতিষ্ঠানটিকে জরিমানা করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন