প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কিক অফের সুর বাজানোর সাথে সাথে গোল! ফুটবল বিশ্বকাপে এমন একটি ঘটনা সচরাচর দেখা যায় না বলা যায়। কিন্তু বিশ্বমঞ্চের ইতিহাসে খুঁটে দেখা গেলে, প্রথম ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই প্রতিপক্ষের জালে বল জড়ানোর কীর্তি রয়েছে মোট পাঁচটি। যেখানে তুরস্কের হাকান সুকুর দ্রুততম গোলের রেকর্ডটি নিজের দখলে রেখে শীর্ষে অবস্থান করছেন। ২০০২ সালের বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ম্যাচের বয়স ছিল মাত্র ১১ সেকেন্ড, ঠিক তখনই লক্ষ্যভেদ করে ইতিহাস গড়েছিলেন এই তুর্কি স্ট্রাইকার।
সেই ম্যাচে, ঘরের মাঠে প্রথম দিকে কিক অফ নিয়েছিল দক্ষিণ কোরিয়া। কিন্তু প্রতিপক্ষের ডি-বক্সের ঠিক সামনেই অসাধারণ দক্ষতার সাথে বল কেড়ে নেন তুরস্কের ইলহান মানসিজ। তার বাড়ানো পাস থেকেই দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়ান সুকুর। এই গোলটি এখনো বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্রুততম গোল হিসেবে অমর হয়ে আছে।
সুকুরের এই অতিমানবীয় কীর্তির প্রায় ছয় দশক আগে দ্রুততম রেকর্ডের মালিক ছিলেন ভাচলাভ মাসেক, যিনি ১৫ সেকেন্ডে গোল করে ছিলেন। ১৯৬২ সালের বিশ্বকাপে মেক্সিকোর বিপক্ষে ম্যাচের শুরুতেই এই কীর্তি গড়েছিলেন তৎকালীন চেকোস্লোভাকিয়ার এই স্ট্রাইকার। মাসেক মূলত ভেঙেছিলেন জার্মানির আর্নেস্ট লেনারের রেকর্ড। তারও আগে ১৯৩৪ সালের বিশ্বকাপে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে খেলা শুরুর ২৫ সেকেন্ডের মাথায় গোল করেছিলেন লেনার।
বিশ্বকাপে ৩০ সেকেন্ড বা তার চেয়ে কম সময়ে gol করার বাকি দুটি ঘটনাও বেশ রোমাঞ্চকর। ১৯৮২ সালের বিশ্বকাপে ফ্রান্সের রক্ষণভাগকে স্তব্ধ করে দিয়ে ম্যাচের ২৮ সেকেন্ডেই ইংল্যান্ডের হয়ে জাল খুঁজে নিয়েছিলেন ব্রায়ান রবসন। আর এই তালিকায় সবশেষ সংযোজন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্লিন্ট ডেম্পসি। ২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপে ঘানার বিপক্ষে ম্যাচ শুরুর ঠিক ৩০ সেকেন্ডে বল জালে পাঠিয়ে এই এলিট ক্লাবে নিজের নাম প্রবেশ করান তিনি। বিশ্বমঞ্চের গতি এবং রোমাঞ্চের গল্পে এই দ্রুততম গোলগুলো ফুটবলপ্রেমীদের কাছে সবসময়ই একটি বিশেষ আকর্ষণ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন