প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের কফি চেইন স্টারবাকস চেন্নাইয়ে একটি বৈশ্বিক প্রযুক্তি কেন্দ্র স্থাপন করার পরিকল্পনা করছে। এই উদ্যোগের জন্য প্রতিষ্ঠানটি তামিলনাড়ু রাজ্য সরকারের সঙ্গে একটি চুক্তি সম্পাদন করেছে। নতুন এই প্রযুক্তি কেন্দ্র চালু হলে প্রায় ৮০০টি প্রযুক্তি খাতের চাকরি সৃষ্টি হতে পারে। সোমবার তামিলনাড়ু সরকার এ তথ্য প্রকাশ করেছে। উল্লেখ্য, চেন্নাই তামিলনাড়ু রাজ্যের রাজধানী এবং এখানে ইতিমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন বড় প্রতিষ্ঠানের প্রযুক্তি ও ব্যবসায়িক কেন্দ্র অবস্থিত রয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টাটা কনজ্যুমার প্রোডাক্টসের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ভারতীয় বাজারে কার্যক্রম পরিচালনা করছে স্টারবাকস। দেশটিতে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ৫০০টি ক্যাফে রয়েছে। নতুন প্রযুক্তি কেন্দ্রটি স্টারবাকসের ভারতে কার্যক্রমের পাশাপাশি বৈশ্বিক কার্যক্রমে সহায়তা করবে কিনা, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হয়নি। অফিস সময়ের বাইরে রয়টার্স স্টারবাকসের সঙ্গে যোগাযোগ করে মন্তব্য জানতে চেয়েছিল, কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। স্টারবাকসের চুক্তির কয়েক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালগ্রিনসও তামিলনাড়ু সরকারের সঙ্গে একটি চুক্তি করেছে। চুক্তির আওতায়, প্রতিষ্ঠানটি চেন্নাইয়ে একটি বৈশ্বিক প্রযুক্তি কেন্দ্র স্থাপন করবে। ফলে চেন্নাইয়ে বড় আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের প্রযুক্তি কার্যক্রম বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
চেন্নাইয়ে ইতিমধ্যে সিটি, বার্কলেস এবং আমেরিকান এক্সপ্রেসের মতো বড় আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের প্রযুক্তি কেন্দ্র বিদ্যমান। এসব কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করে। অতীতে, এ ধরনের প্রযুক্তি কেন্দ্রগুলো মূলত কম খরচে দাপ্তরিক ও সহায়ক কাজের জন্য ব্যবহৃত হত। তবে সময়ের সঙ্গে এসব কেন্দ্রের কার্যক্রমের ধরন পরিবর্তিত হয়েছে। বর্তমানে বড় আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো এসব কেন্দ্র থেকে তাদের ব্যবসার গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো পরিচালনা করছে। এর মধ্যে রয়েছে অর্থ ব্যবস্থাপনা, সফটওয়্যার তৈরি, তথ্যপ্রযুক্তি সেবা এবং গবেষণা ও উন্নয়ন। ফলে চেন্নাইয়ের মতো শহরে বৈশ্বিক প্রযুক্তি কেন্দ্র স্থাপন করা শুধুমাত্র চাকরি সৃষ্টি নয়, বরং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমের জন্যও সহায়ক হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন