প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে তেল রপ্তানির একটি নতুন এবং নিরাপদ পথ খুঁজে বের করার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করছে।
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ মানছে। ইরান সাম্প্রতিক সময়ে হরমুজে বেশ কয়েকটি জাহাজে হামলা চালিয়েছে। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ব্যাপক বোমাবর্ষণ করেছে। এই সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে একটি নতুন ও নিরাপদ তেল রপ্তানির পথ খুঁজতে উদ্যোগী হয়েছে।
এই লক্ষ্যকে বাস্তবায়িত করার জন্য একটি পুরনো পাইপলাইনকে নতুন করে চালুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এই পাইপলাইনটি ইরাকের উত্তরের শহর কিরকুক থেকে সিরিয়ার বানিয়াস পর্যন্ত যাবে। সংবাদমাধ্যম ‘মিডল ইস্ট আই’ এই বিষয়ে জানিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র এই কাজে ইরাক ও সিরিয়াকে সাহায্য করছে।
প্রায় ৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পাইপলাইনটি গত কিছু দশক ধরে বন্ধ রয়েছে এবং এটি বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এক কর্মকর্তা এই বিষয়ে বলেন, পাইপলাইনটি সম্ভবত পুরোপুরি নতুন করে বসাতে হবে। এতে দুই থেকে তিন বছর সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি কোম্পানিকে ইতিমধ্যে এই কাজের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে হোয়াইট হাউসে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেই বৈঠকে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জাইদি এবং ট্রাম্প এই চুক্তির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে পারেন বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে, উত্তেজনার এই পরিস্থিতির মধ্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ওমান সফরে গেছেন। তিনি রাজধানী মাসকাটে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদির সঙ্গে বৈঠক করেন। এই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সমঝোতা অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল কিভাবে নিরাপদে করা যেতে পারে, সেই বিষয়ে তাদের আলোচনা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন