প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতীয় পার্টির আয়-ব্যয়ের হিসাব নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছে গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদেরের নেতৃত্বে। ২০২৫ সালের জন্য ওই হিসাব অনুযায়ী, দলটি গত বছরে আয় করেছে ১ কোটি ৮২ লাখ ৪ হাজার ২৭০ টাকা এবং ব্যয় করেছে ১ কোটি ৮৭ লাখ ৯৩ হাজার ৪৩৩ টাকা। বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা এই হিসাব অনুসারে, আসন্ন নির্বাচনের আগে জরুরী এই হিসাবটি সম্পন্ন করা হয়েছে।
অতিরিক্ত মহাসচিব রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া রবিবার (২৬ জুলাই) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের কাছে জমা দেন। তিনি জানান, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দলের আয় ১ কোটি ৮২ লাখ ৪ হাজার ২৭০ টাকা এবং ব্যয় ১ কোটি ৮৭ লাখ ৯৩ হাজার ৪৩৩ টাকা হয়েছে। এতে দলের খরচের পরিমাণ ৫ লাখ ৭৯ হাজার ১৬৩ টাকা বেশি হয়েছে। অতীতে ২০২৪ সালের স্থিতি অনুযায়ী, ব্যাংকে ২ কোটি ৬৬ লাখ ৫৫ হাজার ১৬৪ টাকা জমা ছিল। ২০২৫ সালের খরচ কমিয়ে বর্তমানে জমা আছে ৭৮ লাখ ৬১ হাজার ৭৩১ টাকা। এই বছর নির্বাচনের কারণে খরচ বাড়তি হয়েছে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জাপার সমর্থিত প্রার্থী থাকবে বলে জানিয়েছেন রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া। তিনি বলেন, এবার স্থানীয় সরকারে দলগতভাবে অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই। কিন্তু বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনের বাইরের পরিস্থিতিতে থাকে না এবং সমর্থন করে। গতবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী দিলেও, এবার আমাদের প্রার্থীরা নিজেদের মতো অংশ নেবে এবং তাদের সমর্থন থাকবে।
সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিচারের দাবি প্রসঙ্গে রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, তিনি অসুস্থ থাকার কারণে পদত্যাগ করেছেন। সেক্ষেত্রে তার রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন সময়ে সংবিধান বিরোধী কার্যক্রম ছিল কিনা তা দেখা প্রয়োজন। যদি না থাকে, তবে তার গ্রেপ্তারের দাবি কেন হবে? এ নিয়ে জাপার কোনো মন্তব্য নেই।
আওয়ামী লীগের ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর জাপায় ভাঙনের প্রভাব সম্পর্কে জানতে চাইলে, রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, যারা দল ভেঙেছিল, তাদের অধিকাংশই জিএম কাদেরের নেতৃত্বে ফিরে এসেছে। আগামী নির্বাচনে (স্থানীয় সরকার) সারাদেশে দলের ভালো করার আশা রয়েছে এবং কিছু অঞ্চলে প্রার্থীরা ভালো ফলাফল করতে পারবেন বলেও প্রত্যাশা জানান। ভাঙনের প্রভাব তৃণমূলে অন্তত নেই এবং দুই অংশের একীভূত হওয়ার সম্ভাবনাও থাকতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন