প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইংল্যান্ডের তারকা ফুটবলারদের নৈপুণ্যে গ্রুপপর্বের বাধা পার হওয়া গেছে। তবে দলের দুর্বলতা এখনো স্পষ্ট। পানামার বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ে দলটি গ্রুপের শীর্ষস্থান নিশ্চিত করেছে। কিন্তু এই ম্যাচের বড় একটি সময় আক্রমণে ধারহীনতা এবং রক্ষা ব্যবস্থায় দুর্বলতা স্পষ্টভাবে দেখা গেছে। আগামী নকআউট পর্বে কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে এই দুর্বলতা তাদের ভোগাতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সর্বমোট সাত পয়েন্ট সংগ্রহ করে ক্রোয়েশিয়া, ঘানা ও পানামাকে পরাজিত করে অপরাজিত অবস্থায় শীর্ষে উঠে এসেছে ইংল্যান্ড। এর ফলে তুলনামূলক সহজ পথে নকআউট পর্বে যেতে পারছে তারা। কিন্তু পানামার বিপক্ষে ম্যাচের প্রথমার্ধে দলটি প্রত্যাশিত ছন্দে ছিল না। যদিও বলের দখল তারা ধরে রেখেছিল, কার্যকর আক্রমণ গড়ে তুলতে পারছিল না। বরং কয়েকবার পাল্টা আক্রমণে পানামা ইংল্যান্ডের রক্ষা ব্যবস্থাকে চাপে ফেলেছিল।
বিরতির পর ম্যাচের চিত্র পরিবর্তন করে দেয় জুড বেলিংহ্যাম। তার গোলের মাধ্যমেই ইংল্যান্ড এগিয়ে যায়। পরে হ্যারি কেইন আরেকটি গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন। এই গোলের ফলে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডও নিজের করে নেন কেইন।
তবে জয় পাওয়া সত্ত্বেও নতুন দুশ্চিন্তা তৈরি হয়েছে দলের রক্ষণভাগে। গোড়ালির চোটে ম্যাচ শেষ করতে পারেননি জ্যারেল কোয়ানসাহ। এর আগে থেকেই দলের গুরুত্বপূর্ণ রক্ষণভাগের কয়েকজন খেলোয়াড় অনুপস্থিত ছিলেন। ফলে নকআউট পর্বের আগে রক্ষণের দিক থেকে চিন্তার পরিমাণ আরও বেড়ে গেছে।
সাবেক অধিনায়ক রয় কেন মনে করেন, ইংল্যান্ডের খেলায় প্রয়োজনীয় গতি ও তীব্রতার ঘাটতি রয়েছে। তুলনামূলক দুর্বল প্রতিপক্ষের বিপক্ষেও দলটি নিজেদের মান অনুযায়ী খেলতে পারেনি। অন্যদিকে ওয়েন রুনি সতর্ক করে বলেছেন, দীর্ঘ আসরে হ্যারি কেইনকে যথেষ্ট বিশ্রাম দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। নইলে টুর্নামেন্টের শেষ দিকে তার ওপর ক্লান্তির প্রভাব পড়তে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, বেলিংহ্যাম ও কেইনের ব্যক্তিগত নৈপুণ্য এখন ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় শক্তি। কিন্তু বিশ্বকাপে অনেক দূর যেতে হলে শুধুমাত্র এই দুই তারকার ওপর নির্ভর করা চলবে না। দলের অন্যান্য খেলোয়াড়দেরও দায়িত্ব নিয়ে খেলতে হবে। আসন্ন নকআউট পর্বেই বোঝা যাবে, ইংল্যান্ড সত্যিই শিরোপার দাবিদার কি না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন