প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নাম বদলেছে, কিন্তু দেশ বদলের কোনও লক্ষণ তো নেই। ‘তুর্কি’ বা ‘তুরস্ক’, যাই বলি, সেই দেশটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের হাতছানি এড়ানো সম্ভব নয়। সেখানে ছুটে যেতে ইচ্ছা করে এক চিলতে অবসরে। তাইতো আমি আবারও গেছি এশিয়া-ইউরোপের মধ্যস্থলের এই দেশটিতে। ইস্তাম্বুলের সমুদ্রঘেঁষা পাহাড়ের কোলে বসে কাটানো মুহূর্তগুলো আমার মনে থাকবে, যা আমি কখনও ভুলব না।
অটোমান সাম্রাজ্যের বহু স্থাপনা এখনও এই দেশে দাঁড়িয়ে আছে স্বমহিমায়। তোপকাপি প্রাসাদ, রুমেলি হিসারি দুর্গ, ডলমাবাহচে প্রাসাদ, পিয়েরি লোটি হিল, গ্রান্ড বাজার, বসফরাস ক্রুজের জন্য আকর্ষণীয় নৌ ভ্রমণ, হাগিয়া সোফিয়া, সুলতানাহমেট স্কয়ার, এগুলো দেখে মনে হয় দেখার শেষ নেই। সফরের প্রথম দিনের শুরু থেকেই আমি অন্যরকম এক রোমাঞ্চের স্বাদ পেতে শুরু করি।
২০২৩ সালে যখন আমি ইস্তাম্বুল যাই, তখন আমার চোখেমুখে যে মুগ্ধতা ছিল, সেটা এবারও আলাদা কিছু নয়। চেনা পথ আবারও মাড়িয়েছি, তবে সবকিছু যেন নতুন বলে মনে হয়েছে। আমি যেমন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা আমার দেশকে ভালোবাসি, তেমনি তুরস্কের প্রতি আমার ভালো লাগা মিশে আছে। যে পা রাখলেই গুনগুনিয়ে উঠি প্রিয় সেই গানটি– ঐ দূর পাহাড়ের ধারে।
মডেল ও অভিনেত্রী হিসেবে শুটিংয়ের জন্য আমি বেশকিছু দেশ ভ্রমণের সুযোগ পেয়েছি। কিন্তু সেটুকু হাসিল আমার পরিব্রাজক মনের তৃষ্ণা মেটাতে পারেনি। যেখানে সুযোগ পেয়েছি, উদ্যোগী হয়েছি পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটে যাওয়ার। ফলে উড়াল মন তেমন কিছু না ভেবেই এক মহাদেশ থেকে অন্য মহাদেশে চলে গেছে। আমি এভাবেই গেছি উত্তর আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, মরুদেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন শহরে। কলকাতাতেও গিয়েছি অনেকবার। প্রতিটি সফরের অভিজ্ঞতাই ছিল চমৎকার। মুম্বাইর সফরেও মনে হয়েছে, বাঙালি আর মারাঠির মধ্যে কতটা পার্থক্য। ভারত সফরও প্রতিবার নতুন বলে মনে হয়েছে।
কানাডায় আমি একাধিকবার গিয়েছি। ‘ফোবানা’য় অংশ নিতে গত বছরও আমি গিয়েছিলাম। শীতপ্রধান এই দেশে তুষার দৌড়ে বেড়ানো যেমন আনন্দের, তেমনি আকর্ষণীয় নায়াগ্রা ফলসের বিশাল জলরাশির আছড়ে পড়া দেখা। বরফ পড়ার অভিজ্ঞতা আমি পেয়েছি জাপানের সফরে, মাউন্ট ফুজির সামনে দাঁড়িয়ে তখন সুখ অনুভব করেছি।
অস্ট্রেলিয়াও আমাকে বারবার আকর্ষণ করে, বিশেষত সিডনি ও মেলবোর্ন। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শহর লন্ডন ভ্রমণে গিয়ে অভিজ্ঞতার ঝাঁপি খুলে গিয়েছিল, যা স্বল্প পরিসরে বলা কঠিন। সেই সফরের গল্প একটি অন্যদিন বলব। আমি স্মৃতির ঝাঁপি খুলে অন্যান্য সফরের গল্পও শোনাব।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন