প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাশিয়ার তাতারস্তান অঞ্চলের নিঝনেকামস্ক শহরে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। আর আহত হয়েছেন আরো ৩৯ জন।
সোমবার শহরের মেয়র রাদমির বেলিয়ায়েভ এই তথ্য জানিয়ে বলেন, হামলার লক্ষ্য ছিল শহরের শিল্প ও বেসামরিক স্থাপনা। হামলায় তাতারস্তানের একটি তেল শোধনাগারেও আঘাত হেনেছে বলে রুশ গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এটি রাশিয়ার আধুনিক প্রযুক্তির তেল শোধনাগারগুলোর মধ্যে একটি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওতে তেল শোধনাগার বলে মনে হওয়া একটি স্থাপনার ওপর থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে। তবে এসব ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
নিঝনেকামস্কের তানেকো তেল শোধনাগারে এর আগেও ইউক্রেন হামলা চালিয়েছে। চলতি বছরের জুনের শুরুতে এই স্থাপনায় হামলার খবর পাওয়া গেছে।
তানেকো শোধনাগারটি রাশিয়ার অন্যতম বড় তেল শোধনাগার। এটি তাতনেফত কোম্পানির মালিকানাধীন। ২০২৪ সালে শোধনাগারটিতে প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ টন অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াজাত করা হয়। একই সময়ে সেখানে প্রায় ২৭ লাখ টন পেট্রল এবং ৮৫ লাখ টন ডিজেল উৎপাদন করা হয়। ফলে রাশিয়ার জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় এই শোধনাগারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
হামলায় হতাহতের ঘটনায় তাতারস্তানের প্রধান রুস্তাম মিনিখানভ শোক পালনের ঘোষণা দিয়েছেন। নিঝনেকামস্কের মেয়র বেলিয়ায়েভ জানিয়েছেন, নিহতদের স্মরণে শোক পালন করা হবে। তবে হামলায় তেল শোধনাগার বা অন্যান্য স্থাপনার কতটা ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাশিয়ার তেল শোধনাগার ও জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা বাড়িয়েছে ইউক্রেন।
রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে থাকা তেল শোধনাগার ও জ্বালানি স্থাপনা ইউক্রেনের ড্রোন হামলার অন্যতম লক্ষ্য হয়ে উঠেছে। এসব হামলার কারণে রাশিয়ার কিছু এলাকায় জ্বালানি সরবরাহে সমস্যা দেখা দিয়েছে। কোথাও কোথাও পেট্রল ও অন্যান্য জ্বালানি পেতে মানুষের ভোগান্তির খবরও পাওয়া গেছে।
তবে রুশ কর্তৃপক্ষ বলছে, হামলার কারণে শুরুতে যেসব জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছিল, তার বেশির ভাগই পরে সমাধান করা হয়েছে। নিঝনেকামস্কে সর্বশেষ হামলার পরও স্থানীয় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। হামলার ঘটনায় নিহত ও আহতদের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন